ব্রাজিলের জয়ের দিনে কে কত নম্বর পেয়েছেন

ধীরে ধীরে ছন্দ খুঁজে পাওয়ার পথে ব্রাজিলরয়টার্স

প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করা ব্রাজিল আজ হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। ২ গোল করেছেন মাতেউস কুনিয়া। অন্য গোলটি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের।

পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এমন জয়ে স্বাভাবিকভাবেই সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে চলছে আলোচনা—দ্বিতীয় ম্যাচে দলের কোন খেলোয়াড় কেমন পারফর্ম করলেন?

ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডটকমের রেটিং অনুযায়ী, হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের মূল্যায়নের সঙ্গে আপনারটা মিলিয়ে নিতে পারেন।

আলিসন—৭/১০

পুরো ম্যাচে খুব একটা কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি তাঁকে। মাথা ঠান্ডা রেখেই তিনটি সেভ করেছেন এবং নিচ থেকে বল পাস বাড়াতেও ভালো ভূমিকা রেখেছেন।

ভিনিদের খেলা দেখতে এসেছিলেন রোনালদিনিও
এএফপি

দগলাস সান্তোস—৬/১০

মাঠে থাকা ৯০ মিনিটে পাসিংয়ে দারুণ অবদান রেখেছেন। তাঁর নেওয়া ৩৭টি পাসের মধ্যে ৩৪টিই নিখুঁতভাবে সতীর্থদের পায়ে পৌঁছেছে। এ ছাড়া রক্ষণে দুটি বল রিকভারিও করেছেন।

গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস—৭/১০

চমৎকার ট্যাকটিক্যাল ও ডিফেন্সিভ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে হাইতির ফরোয়ার্ডদের বোতলবন্দী করে রেখেছিলেন। চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স ছিল তাঁর।

মার্কিনিওস—৭/১০

যখনই দলের প্রয়োজন হয়েছে, রক্ষণ সামলাতে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৯৬ বার বল টাচ ছিল তাঁর। ফাইনাল থার্ডে চারটি পাস দেওয়ার পাশাপাশি আটটি ক্লিয়ারেন্স ও দুটি সফল ট্যাকল করেছেন।

দানিলো—৭/১০

উইং ধরে আক্রমণ সচল রাখার কাজটা বেশ মন দিয়েই করেছেন। পাশাপাশি রক্ষণভাগও সামলেছেন দারুণভাবে। তিনটি রিকভারি, একটি ইন্টারসেপশন এবং চারটি ক্লিয়ারেন্স করে প্রতিপক্ষকে বারবার হতাশ করেছেন এই ডিফেন্ডার।

প্রথম ৩৫ মিনিট বেশ প্রাণবন্ত ফুটবল খেলেছেন রাফিনিয়া
এএফপি

ব্রুনো গিমারাইস—৭/১০

মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণে বেশ ঘাম ঝরিয়েছেন ব্রুনো। রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির পাশাপাশি কিছু চমৎকার পাসও বাড়িয়েছেন। ম্যাচে তাঁর পাসিংয়ের নিখুঁততা ছিল ৮১ শতাংশ।

কাসেমিরো—৫/১০

আক্রমণে অবদান রাখার চেষ্টা থাকলেও তাঁর নেওয়া লং বলের সাপ্লাইগুলো আজ খুব একটা কাজে আসেনি। সব মিলিয়ে মাঝমাঠে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল বেশ গড়পড়তা।

লুকাস পাকেতা—৮/১০

ভিনিসিয়ুসকে দিয়ে দারুণ একটি গোল করিয়েছেন। ৬৪ মিনিট মাঠে থেকেই দলের আক্রমণ গোছানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্দান্ত ও কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র—৮/১০

নিজে ১ গোল করেছেন, আবার সতীর্থ কুনিয়াকে দিয়ে করিয়েছেন আরেকটি। এমনকি দলের প্রথম গোলের নেপথ্যেও বড় অবদান ছিল তাঁর। বদলি হয়ে মাঠ ছাড়ার আগপর্যন্ত হাইতির রক্ষণভাগের জন্য তিনি ছিলেন বিপজ্জনক। প্রতিপক্ষের বক্সে সর্বোচ্চ ৯ বার বল টাচ করার রেকর্ডও আজ ভিনির।

তিনবার এমন উদযাপনের উপলক্ষ্য পেয়েছে ব্রাজিল
এএফপি

মাতেউস কুনিয়া—৯/১০

খেলেছেন মাত্র ৬৪ মিনিট, তাতেই দেখিয়েছেন নিজের দুর্দান্ত ফিনিশিং ঝলক। চমৎকার ২ গোল করে ব্রাজিলের স্বস্তির জয়ে আজ মূল অবদানটাই ছিল তাঁর।

রাফিনিয়া—৬/১০

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির আশঙ্কায় মাঠ ছাড়ার আগে প্রথম ৩৫ মিনিট বেশ প্রাণবন্ত ফুটবল খেলেছেন। তবে এই চোট তাঁর পরবর্তী ম্যাচগুলোতে খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দিল।

আরও পড়ুন

রায়ান—৫/১০

প্রথমার্ধের শেষ দিকে রাফিনিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। তবে রাইট উইং (ডান প্রান্ত) দিয়ে আক্রমণে তেমন কোনো ধার বা কার্যকারিতা দেখাতে পারেননি তিনি।

গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি—৬/১০

২৬ মিনিট মাঠে থেকে একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করেছিলেন। আক্রমণের পাশাপাশি দলের প্রয়োজনে রক্ষণেও তাঁকে সাহায্য করতে দেখা গেছে।

এনদ্রিক—৭/১০

বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে প্রতিপক্ষের বক্সে তিনবার বল টাচ করেন। এর মধ্যে একবার বল হাইতির জালে জড়ালেও দুর্ভাগ্যবশত অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন