নেইমারের চোটের পর ব্রাজিল দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লেসমার বলেছিলেন, ‘তার ডান পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে। চোটের ভবিষ্যৎ জানতে ২৪–৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

পাশাপাশি নেইমারের আশপাশে থাকা লোকজন বলেছিলেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি বুঝতে আরও কিছু সময় লাগবে।

রয়টার্সসহ ইউরোপীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোর দাবি, গ্রুপের বাকি দুই ম্যাচে সুইজারল্যান্ড এবং ক্যামেরুনের বিপক্ষে নেইমার ও দানিলো খেলতে পারবেন না। এই ম্যাচগুলোতে বিরতি দিয়ে তাঁদের মূলত নকআউট পর্বের জন্য প্রস্তুত করা হবে।

ব্রাজিলের দলের চিকিৎসক রয়টার্সকে বলেছেন, ‘শুক্রবার বিকেলে নেইমার ও দানিলোর এমআরআই করা হয়েছে। দুই জনই গোড়ালিতে মারাত্মকভাবে আঘাত পেয়েছে। তারা নিশ্চিতভাবে পরের ম্যাচে খেলতে পারছে না। তারা চিকিৎসার ভেতর দিয়ে যাবে এবং বিশ্বকাপে আবার খেলার জন্য তাদের প্রস্তুত করার চেষ্টা করা হবে।’

এই দুই ম্যাচে নেইমারের ছিটকে যাওয়ার খবরের পর তাঁর বিকল্প কে হতে পারেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। সাবেক এই বার্সেলোনা তারকার বিকল্প হিসেবে রদ্রিগো কিংবা আন্তনির নাম শোনা যাচ্ছে।

কেবল এই তিনজন নন, ফ্রেদ কিংবা ব্রুনো গিমারেসকেও দেখা যেতে পারে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে। মূলত তিতের দলের গভীরতা বাড়তি ভরসা দিচ্ছে ব্রাজিল সমর্থকদের।