ফুটবলারদের এই কঠোর অবস্থানকে অবশ্য ভালোভাবে নিচ্ছে না স্পেনের ফুটবল ফেডারেশন। বরঞ্চ পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয় বিবৃতিতে, ‘কোচ এবং তাঁর কোচিং স্টাফের কাজ চালিয়ে যাওয়া নিয়ে খেলোয়াড়দের প্রশ্ন তোলাকে আমলে নিচ্ছে না আরইএফএফ। কারণ, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই।’

জাতীয় দলের ডাক প্রত্যাখান করাকে ‘খুব গুরুতর লঙ্ঘন এবং ২ থেকে ৫ বছর দলে অযোগ্যতার শাস্তি’ হবে বলেও উল্লেখ করেছে ফেডারেশন।
সূত্রের বরাতে ইএসপিএন জানিয়েছে, কোচকে নিয়ে মেয়েদের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি কারণে। এর মধ্যে আছে চোট-ব্যবস্থাপনা, লকার রুমের পরিবেশ, ভিলদার দল নির্বাচন ও ট্রেনিং সেশন নিয়ে অসন্তুষ্টি।

না খেলার হুমকি দেওয়া ১৫ খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করেনি আরইএফএফ। তবে তাঁদের মধ্যে ব্যালন ডি’অর জয়ী অ্যালেক্সিয়া পুতেলাস নেই বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ মিডিয়া।

বর্তমানে স্পেন ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন লুইস রুবিয়ালেস। সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠোর হিসেবে পরিচিত রুবিয়ালেস ২০১৮ বিশ্বকাপ শুরুর কয়েক দিন আগে পুরুষ দলের কোচ হুলেন লোপেতেগুইকে বরখাস্ত করেছিলেন, কারণ ছিল ফেডারেশনকে না জানিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের কোচের চাকরি নিয়েছিলেন লোপেতেগু।

অভিযুক্ত ভিলদা স্পেন নারী দলের প্রধান কোচের দায়িত্বে আছেন ২০১৫ থেকে। এর আগে যিনি ছিলেন, সেই ইগনাসিও কুয়েরেদার বিরুদ্ধে মৌখিক অসদাচরণের অভিযোগ ছিল খেলোয়াড়দের। আগামী মাসে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে সুইডেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে স্পেন নারী দলের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন