সিরি আ ও লা লিগা শিরোপাও জিতেছেন। ২০১৪ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া ইতো এখন দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট। এর পাশাপাশি কাতার বিশ্বকাপে যে পাঁচজনকে ‘লিগ্যাসি অ্যাম্বাসেডর’ (কাফু, জাভি হার্নান্দেজ, রোনাল্ড ডি বোয়ের, টিম কাহিল ও ইতো) বানানো হয়েছে ক্যামেরুন কিংবদন্তি তাঁদের একজন।

কাতারকে নিয়ে ইতোর আশা যে কাউকেই চমকে দেবে। এবার বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশটি সবাইকে চমকে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে বলে মনে করেন ক্যামেরুনের হয়ে চারটি বিশ্বকাপে খেলা ইতো।

২০২২ বিশ্বকাপের ওয়েবসাইটে কাতারকে শেষ আটে দেখার আশা জানিয়ে ইতো বলেছেন, ‘আমরা গত কয়েক বছরেই দেখেছি কাতার কতটা পরিশ্রম করেছে এবং দলটা কত পরিণত হয়ে উঠেছে। আমার ধারণা দল হিসেবে তারা চমকে দেবে। অন্য দলগুলো তাদের যোগ্যতা সমন্ধে খুব একটা জানে না।’

বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপে কাতারের তিন প্রতিদ্বন্দ্বী ইকুয়েডর, সেনেগাল ও নেদারল্যান্ডস। এই গ্রুপে ডাচরা ও সব৴শেষ কাপ অব নেশনসজয়ী সেনেগাল ফেবারিট। গ্রুপ পর্ব থেকে শেষ ষোলোয় উঠতে দারুণ কিছু করে দেখাতে হবে এবার বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশটিকে। তবে ইতো তাঁর দেশ ক্যামেরুনকে নিয়েও আশাবাদী।

নিজের দল বলেই প্রত্যাশায় কোনো রাখঢাক রাখেননি ৪১ বছর বয়সী সাবেক এই স্ট্রাইকার। ইতো মনে করেন, ক্যামেরুন বিশ্বকাপ জিতলে, ‘সেটি হবে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো অনুভূতি। যেকোনো ফুটবলারই শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখে। ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি বলতে পারি, ক্যামেরুন বিশ্বকাপ জিতলে আনন্দে ভেসে যাব।’

কাতার বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে ক্যামেরুনের প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল, সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ড। ব্রাজিল তো এই গ্রুপে নিরঙ্কুশ ফেবারিট, অন্য দুটি দলও বেশ শক্তিশালী। ইতো তবু স্বপ্ন দেখছেন, এই গ্রুপ থেকে ক্যামেরুন তো বটেই, আফ্রিকার অন্য চারটি দলও নিজ নিজ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোয় উঠবে, ‘বিশ্বকাপে সফল হওয়ার মতো সামর্থ্য সব সময়ই ছিল আফ্রিকার। বছরের পর বছর ধরে আফ্রিকান দলগুলো অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে, আর এবার তারা শুধু অংশ নেওয়ার জন্য বিশ্বকাপে খেলবে না, ফুটবলের সবচেয়ে সুন্দর প্রতিযোগিতাটি জেতার চেষ্টা করবে।’