স্পেনের ‘দ্বাদশ’ খেলোয়াড়, কে এই তিন বছর বয়সী কিন
মাঠে বল পায়ে লামিনে ইয়ামাল যখন ঝড় তোলেন, গ্যালারিতে তখন অন্য এক ‘ঝড়’ সামলাতে হয় তাঁর পরিবারের সদস্যদের। সেই ঝড়ের নাম কিন—ইয়ামালের তিন বছর বয়সী ভাই।
কখনো ক্যাম্প ন্যুতে ভাইয়ের সঙ্গে খুনসুটি, আবার কখনো গলফ কোর্টে খুদে গলফার রূপে হাজির হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মাতানো এই ‘পুঁচকে’ এবার সোজা চলে গেছে বিশ্বকাপের গ্যালারিতে। স্পেনের অঘোষিত ‘দ্বাদশ’ খেলোয়াড় তো এই কিনই!
গতকাল বাংলাদেশ সময় রাতে লস অ্যাঞ্জেলেসে যখন স্পেন–অস্ট্রিয়া ম্যাচ চলছিল, গ্যালারিতে স্পেনের জার্সি গায়ে বসে ছিল কিন। স্পেনের প্রতিটি আক্রমণে তার উল্লাস দেখে কে বলবে যে তিন বছর বয়সী কিন খেলা বোঝে না!
ভাইয়ের এমন মিষ্টি সমর্থন মাঠে বসে ইয়ামালের চোখও এড়ায়নি। অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্প্যানিশ রেডিও ‘এল লারগুয়েরো’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাই নয়, যেন এক গর্বিত অভিভাবক হিসেবেই কথা বললেন ইয়ামাল, ‘আমার ভাই আমার নিজের সন্তানের মতো, আমি তাকে ভীষণ ভালোবাসি।’
কিনকে যতটা ভালোবাসেন, ইয়ামাল ঠিক ততটাই বুঁদ হয়ে আছেন বিশ্বকাপ রাঙানোর স্বপ্নে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে খেলার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে গেছে এই তরুণ তুর্কিকেও।
ইয়ামাল বলেন, ‘বিশ্বকাপই ফুটবলের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট। একজন শিশু যখন ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখে, তখন তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন থাকে নিজের জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে খেলা। আমি এখন সেই জায়গায় আছি।’
শেষ ষোলোর বৈতরণি পার করে ইয়ামালের চোখ এখন সামনে। আগামী সোমবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্পেনের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল।
তবে কিনের মতো ভাই যার ‘লাকি চার্ম’ হয়ে গ্যালারিতে থাকে, তাঁর কি আর ভয় পাওয়ার কিছু আছে? ইয়ামালও তাই বেশ আত্মবিশ্বাসী, ‘আমার লক্ষ্য হলো পরের রাউন্ডে ওঠা এবং স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা।’