এর আগে ভেরডার ব্রেমেনের বিপক্ষে সার্জ নাব্রির হ্যাটট্রিকে বায়ার্ন মিউনিখের ৬–১ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে ১৫ মিনিটেই হাঁটুর চোট নিয়ে মাঠ ছেড়ে যান মানে।

তাঁর চোট নিয়ে বায়ার্ন কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান বলেছেন, ‘সে টিবিয়ার (জঙ্ঘাস্থি, যা মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হাঁটুর নিচে সবচেয়ে শক্ত হাড় ও হাঁটুকে গোড়ালির সঙ্গে যুক্ত করে) ওপরের ভাগে আঘাত পেয়েছে। এ জায়গায় চোট সব সময় অস্বস্তি তৈরি করে। খারাপ কিছু হয়েছে কি না, তা এক্স–রে করে দেখতে হবে। আমরা আশা করছি, মারাত্মক কিছু হয়নি।’

নাগলসমান যতই আশ্বস্ত করার চেষ্টা করুক, মানের চোট ইতিমধ্যে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে সেনেগাল–ভক্তদের। তাঁর কাঁধে চড়েই যে বিশ্বকাপে এসেছে সেনেগাল। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ গোল করেছেন এই ফরোয়ার্ড।

বিশ্বকাপের ১৩ দিন আগে দলের সেরা তারকার এমন চোট ভক্তদের নিশ্চিতভাবেই অস্বস্তি বাড়িয়েছে। ২১ নভেম্বর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে সেনেগাল।

সেই ম্যাচের আগে সেরে ওঠে মানে ফিরতে পারবেন কি না, নাকি তার আগেই বড় কোনো দুঃসংবাদ আসে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

কাতার বিশ্বকাপ অবশ্য শুরুর আগেই চোটের বিশ্বকাপে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কেউ না কেউ চোটে পড়ে ছিটকে যাচ্ছেন। চোটে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়াদের তালিকায় সর্বশেষ নাম আর্জেন্টাইন তারকা জিওভানি লো সেলসো।

শুরুতে শঙ্কার কথা শোনা গেলেও পরে ঠিকই লিওনেল স্কালোনির ৩১ সদস্যের দলে জায়গা করে নেন লো সেলসো। তবে গতকাল রাতে নিশ্চিত হয় তাঁর ছিটকে যাওয়া।