প্রথমার্ধে রোনালদোর সামনে সেরা সুযোগ আসে পরের মিনিটেই। ডি বক্সের একটু বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি কিক শট চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে ৭৪ তম মিনিটে বাইসাইকেল কিক গোলেরও চেষ্টা করেন রোনালদো। বল তাঁর পায়ে লাগেনি।

এর আগে বাইলাইনের কাছ থেকে দারুণ এক পাস বাড়ান পিতি মার্তিনেজকে, তবে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের শট কয়েক ইঞ্চির জন্য লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি।

ম্যাচে কোনো গোল করতে না পারলেও রোনালদো ম্যাচ নিয়ে খুশি ছিলেন বলে জানান আল নাসর কোচ রুডি গার্সিয়া। ম্যাচ শেষে ৩৭ বছর বয়সী পর্তুগিজ তারকাকে গার্সিয়া বলেন, ‘সবাই জানে ক্রিস্টিয়ানো পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী। ফুটবল–ইতিহাসের অন্যতম সেরা। আমাদের দায়িত্ব ও যেন নিজের সেরা অবস্থায় থাকতে পারে। আমি চাই সে উপভোগ করুক। আজ প্রথমবারের মতো খেলতে নেমে ও খুশি।’

রোনালদোকে নিয়ে খেলা আল নাসরের প্রথম ম্যাচে আক্রমণভাগে কিছুটা ছন্দহীনতা দেখা গেছে। তরুণ খেলোয়াড়দের কেউ কেউ বারবার রোনালদোকে বল বাড়িয়েছেন। যা অনেক ক্ষেত্রে দলগত আক্রমণের গতি থামিয়ে দিয়েছে।

ম্যাচ শেষে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে আল নাসর কোচ বলেন, ‘সব সময় ক্রিস্টিয়ানোর দিকে বল বাড়ানোর চেয়ে সবার নিজের স্বাভাবিক ফুটবল খেলাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি ওদের বলেছি, মাঠের ভেতর সঠিক জায়গায় বল দিতে হবে।’

প্রথম ম্যাচেই রোনালদোকেন্দ্রিক আক্রমণের দুর্বলতা ফুটে ওঠায় অনুশীলনে এ নিয়ে কাজ দরকার বলে মনে করছেন গার্সিয়া, ‘ক্রিস্টিয়ানো বা তালিসকা যখন একা থাকবে বা বল দিতে বলবে, তখন অবশ্যই বল বাড়িয়ে দিতে হবে। কারণ এই দুজনই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমার মনে হয়, এই ম্যাচে কয়েকবার ক্রস করার মতো ভালো জায়গায় ছিলাম আমরা। কিন্তু বক্সের ভেতরে কেউ ছিল না। কখনো কখনো রোনালদো বা তালিসকাও নয়। এ বিষয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। যেন ওদের একজন বক্সে থাকে, আরেকজন বাইরে।’

আল নাসরের পরের ম্যাচ বৃহস্পতিবার রাতে। সৌদি সুপার কাপের এ ম্যাচে প্রতিপক্ষ আল-ইত্তিহাদ।