ভারতের জালে ১১ গোল দিল জাপান

গোলের এমন উদ্‌যাপন বারবার করেছে জাপানএএফপি

প্রথমার্ধে ২১ থেকে ৩৪ আর দ্বিতীয়ার্ধে ৬৬ থেকে ৮০ মিনিট।

পুরো নব্বই মিনিটের খেলায় এ দুটো সময়েই যেন জাপানের ফুটবলাররা একটু বেশি ‘বিশ্রাম’ নিয়েছিলেন। এর আগে–পরে প্রতি ৫–১০ মিনিটেই অন্তত একবার করে বল পাঠিয়েছেন ভারতের জালে। আর সেটিরই চূড়ান্ত ফল—এএফসি নারী এশিয়ান কাপে ভারতের বিপক্ষে জাপানের জয় ১১–০ গোলে!

আজ পার্থের রেকটেঙ্গুলার স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপের খেলায় ভারতকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে জাপান। বিপরীতে বড় হারের কারণে তৃতীয় সেরা দল হওয়ার স্বপ্নে বড় ধাক্কা খেল ভারত।

১১ গোল ব্যবধানের জয় অবশ্য এশিয়ান কাপে জাপানের সবচেয়ে বড় নয়। ২০০১ আসরে তারা গ্রুপ পর্বে সিঙ্গাপুরকে ১৪–০ গোলে হারিয়েছিল। একই আসরে গুয়ামের বিপক্ষে জাপানের জয় ছিল ১১–০ ব্যবধানে।

আগের ম্যাচে চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে কষ্টেসৃষ্টে ২–০ গোলে জিতেছিল জাপান। আজ সেই দলটিই ভারতের বিপক্ষে প্রথমার্ধে করেছে ৫ গোল, দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৬টি। জাপান প্রথম গোল পায় চতুর্থ মিনিটে। এরপর গোল এসেছে ১৩, ২০, ৩৫, ৪৫+৫, ৪৭, ৫০, ৫৫, ৬২, ৬৫ ও ৮১তম মিনিটে। হ্যাটট্রিক করেছেন হিনাতা মিয়াজাওয়া ও রিকো উয়েকি। দুটি গোল করেছেন কিকো সেইকি। এ ছাড়া একটি করে গোল করেন ইয়ামামোতো, হাসেগাওয়া ও হিজিকাতা।

ভারতের গোলকিপারকে একের পর এক জাপানি আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে
এএফপি

দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপ থেকে শেষ আট নিশ্চিত করেছে জাপান। গ্রুপ রানার্সআপ হওয়ার লড়াইটা এখন চায়নিজ তাইপে ও ভিয়েতনামের, যে দুই দল ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট করে পেয়েছে। ভারতের পয়েন্ট ২ ম্যাচে ০।

১২ দলের এশিয়ান কাপে তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে তৃতীয় হওয়া সেরা দুটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। এই মুহূর্তে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে শীর্ষ দুইয়ে আছে ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।

আরও পড়ুন