ম্যাচ শেষে ঘানার হারের কারণ জিজ্ঞেস করা হলে রাখঢাক না রেখেই রেফারিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান ঘানা কোচ, ‘রেফারির কারণে হেরেছি।’

রোনালদোর ওই গোলের পর ঘানার জন্য ম্যাচটি কঠিন হয়ে যায় জানিয়ে আদো বলেন, ‘রেফারি আমাদের অনুকূলে ছিল না। পেনাল্টির সিদ্ধান্তটা ছিল ভুল। আমি জানি না ভিএআর কেন কার্যকর করা হলো না। আমার কাছে কোনো ব্যাখ্যা নেই। আর বিশ্বমানের একটি দল এভাবে এগিয়ে যাওয়ার পর খেলাটা কিন্তু কঠিন।’

২০০৬ সালে ঘানার হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন আদো। ঘানা জাতীয় দলের কোচ হওয়ার আগে জার্মানির ম’গ্লাডবাখ ও ডর্টমুন্ডে কোচিং স্টাফের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে।

৪৭ বছর বয়সী এই কোচ মনে করেন,  ম্যাচে তাঁর দলই বরং বেশি ফাউলের শিকার হয়েছে, ‘রেফারিরা কেন ভিএআরে মনোযোগ দেননি আমি জানি না। আপনারা রিপ্লেতে খেয়াল করলে দেখবেন, আমরা বল খেলছিলাম। বরং আমাদের বিরুদ্ধেই ফাউল হয়েছে।’

পেনাল্টির সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন রোনালদো। খেলোয়াড়টি রোনালদো বলেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত এসেছে বলে মনে করেন কি না, প্রশ্নে আদো বলেন, ‘রেফারিকেই জিজ্ঞেস করুন। আমার কাছে কোনো প্রমাণ নেই। এখন কেউ যদি গোল করে, তাকে অভিনন্দন। তবে ওটা ছিল একটা উপহার। সত্যিই উপহার। এর চেয়ে বেশি আর কী বলব? রেফারির বিশেষ উপহার ছিল এটি।’

ম্যাচ শেষে খেলা পরিচালনা নিয়ে রেফারির সঙ্গে কথাও বলতে চেয়েছিলেন আদো।

সেটি সম্ভব না হলেও কোচ-রেফারি আলাপের একটি সুযোগ থাকা উচিত বলে মনে করেন ঘানা কোচ, ‘খুব শান্ত এবং ভদ্রোচিতভাবে ফিফার কিছু লোককে আমি রেফারির সঙ্গে কথা বলিয়ে দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা বলেছেন উনি মিটিংয়ে, কথা বলা সম্ভব নয়। আমার মনে হয় তারা ম্যাচ নিয়ে বিশ্লেষণ করছিলেন। তবে কোচদের সঙ্গেও রেফারির কিছুটা সময় দেওয়া উচিত।’