ব্রাজিল–আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে আসা দলের জালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪ গোল
যুক্তরাষ্ট্র ৪–১ প্যারাগুয়ে
মেক্সিকো পেরেছে, পারল যুক্তরাষ্ট্রও। তবে আরও ভালোভাবে।
এবারের বিশ্বকাপে তিন আয়োজক। এর মধ্যে মেক্সিকো তাদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় ২-০ গোলে। আরেক স্বাগতিক কানাডা অবশ্য ভালো খেলেও বসনিয়ার সঙ্গে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তিন আয়োজকের মধ্যে সবচেয়ে ভালো শুরুটা হলো যুক্তরাষ্ট্রের। লস অ্যাঞ্জেলেসে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মরিসিও পচেত্তিনোর দল জিতেছে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে।
জয়টা শুধু স্বাগতিকদের মধ্যেই বড় নয়, প্রতিপক্ষ বিবেচনায়ও বড়সড়ই। এই প্যারাগুয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছে। লাতিন অঞ্চলে ১৮ ম্যাচে হজম করেছে মাত্র ১০ গোল। সেই দলটির জালেই যুক্তরাষ্ট্র আজ বল জড়াল ৪ বার।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪ গোলের প্রথমটিই অবশ্য আত্মঘাতী। তবে কৃতিত্ব স্বাগতিকদের। যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ম্যাচের ৭ মিনিটে নিজেদের জালেই বল জড়ান প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার দামিয়ান বোবাদিয়া। এবারের বিশ্বকাপে যা প্রথম আত্মঘাতী গোল। প্রথমার্ধ শেষে এই ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০-তে। এর মধ্যে ৩১ ও বিরতির বাঁশির আগে ২টি গোল করেন ফোলারিন বালোগান।
প্রথমার্ধে বড় ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া স্বাগতিকেরা দ্বিতীয়ার্ধে ছিল আরও গোছালো। তবে প্যারাগুয়েও এ সময় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাতে লড়াই জমলেও গোল এসেছে ধীরে। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে প্যারাগুয়ের হয়ে ১টি গোল শোধ দেন মরিসিও। ম্যাচের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ গোলটি করেন জিওভান্নি রেইনা।
লাতিন বাছাইয়ে ব্রাজিলকে ১–০ আর আর্জেন্টিনাকে ২–১ গোলে হারানো প্যারাগুয়ের জন্য এত বড় হার বড় ধাক্কা। এবারের আগে দলটি ২০১০ বিশ্বকাপে খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় হারে এখন শেষ ৩২ নিয়ে জটিল সমীকরণ সামনে।
প্যারাগুয়ের পরের ম্যাচ ২০ জুন তুরস্কের বিপক্ষে। আর যুক্তরাষ্ট্র ১৯ জুন খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।