শুরুর দিকে আরব আমিরাতই অবশ্য আর্জেন্টাইন রক্ষণে হানা দিয়েছে বেশি। প্রতি–আক্রমণে গিয়ে শুরুর ১২ মিনিটেই দুটি কর্নার আদায় করে নেয় দলটি। তবে ধীরে ধীরে পুরো মাঠেরই নিয়ন্ত্রণ নেয় আর্জেন্টিনা।

১৭ মিনিটে আমিরাতের আক্রমণ রুখে দিয়েই প্রতি–আক্রমণে প্রথম গোল পায় লিওনেল স্কালোনির দল। নিজেদের অর্ধ থেকে দ্রুত বল টেনে মেসিকে বাড়ান দি মারিয়া। দ্রুত এগিয়ে যান মেসিও, ডি বক্সে ঢুকে বল বাড়ান বাঁ দিকে অরক্ষিত থাকা আলভারেজকে।

নিরাপদে দাঁড়িয়ে ডান পায়ের শট বল জালে জড়ান ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড। আর্জেন্টিনার হয়ে এটি মেসির ৫০তম গোল–সহায়তা।

২৫ মিনিটে গোল পেয়ে যান দি মারিয়াও। প্রায় কর্নার প্রান্ত থেকে লম্বা করে বল বাড়িয়েছিলেন আকুনিয়া। অরক্ষিত দি মারিয়া বাঁ পায়ের ভলিতে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান। এর ১২ মিনিট পর দি মারিয়া করেন দলের তৃতীয় আর নিজের দ্বিতীয় গোলটি। আমিরাত গোলরক্ষক খালিদ ঈসাকে ফাঁকি দেওয়াটা এ যাত্রায় সহজই ছিল।

শুধু গোল করাই নয়, আমিরাত রক্ষণে দি মারিয়া ভীতি ছড়ান নিখুঁত পাস ও লম্বা ক্রসে। দি মারিয়ার সেই দুরন্ত ছন্দের সূত্রে ৪৪ মিনিটে গোলের দেখা পান মেসি।

দারুণ বোঝাপড়ায় দি মারিয়ার কাছ থেকে পাস পেয়ে ডি বক্সের ভেতর ড্রিবল আর দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডান পায়ের শট নেন মেসি, দূরের পোস্ট দিয়ে বল চলে যায় জালে।

২০২২ সালে এটি আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর ১১তম গোল, আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৯১তম।

৪-০ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যাওয়ার পর দি মারিয়া, আকুনিয়াসহ চারজনকে তুলে নেন আর্জেন্টাইন কোচ। এরপর আর্জেন্টিনার আক্রমণেও কিছুটা স্থবিরতা আসে।

তবে ৬০ মিনিটে রদ্রিগো দে পলের বানিয়ে দেওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনাকে পঞ্চম গোল এনে দেন হোয়াকিন কোরেয়া। ডিফেন্ডার আকুনিয়ার বদলি হিসেবে নামা এই ফরোয়ার্ড তিন ডিফেন্ডারের জটলার ভেতর দিয়ে বল জালে জড়ান।

ম্যাচের শেষ আধা ঘণ্টায় অবশ্য আর কোনো গোল করতে পারেননি কেউ। এ সময়ে বরং আমিরাতের কয়েকটি আক্রমণ রুখে ‘প্রস্তুতি’ সেরে নিয়েছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও ডিফেন্ডাররা।