হিউলমান্দের দলে নিশ্চিতভাবেই প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হবেন কাসপার স্মাইকেল। অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক দলের অধিনায়কদের একজনও। লম্বা সময় ধরে ডেনমার্কের পোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে আসছেন স্মাইকেল। দলের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাই এবং নেশনস লিগে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন এই গোলরক্ষক। ডেনিশ দলে স্মাইকেলের সঙ্গে বিকল্প গোলরক্ষক হিসেবে থাকবেন অলিভার ক্রিস্টেনসেন।

রক্ষণকে বৈচিত্র্যময় রাখার চেষ্টা করেছেন হিউলমান্দ। প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা বিবেচনায় নিয়েই সাধারণত ফরমেশন পরিবর্তন করেন এই কোচ। গত সেপ্টেম্বরে যেমন নেশনস লিগের ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে চারজন ডিফেন্ডারকে খেলিয়েছিলেন হিউলমান্দ।

যেখানে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলিয়েছিলেন পাঁচজন ডিফেন্ডার। অভিজ্ঞ সিমন কিয়ারের সঙ্গে ক্রিস্টাল প্যালেসের ইওয়াকিম অ্যান্ডারসেন এবং বার্সেলোনার আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিনসেনের ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভর করবেন ডেনিশ কোচ।

সেন্টারব্যাকে শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে আছেন ভিক্টর নেলসনও। লেফটব্যাকে আছেন আতালান্তার ইওয়াকিম ম্যালে। ড্যানিয়েল ভাস এবং ইয়েন্স লারসেনও ডেনমার্কের রক্ষণে বাড়তি শক্তি জোগাবেন।

মাঝমাঠে ডেনমার্ককে বাড়তি অনুপ্রেরণা দেবেন ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। এ ছাড়া পিয়েরে–এমিল হইবিয়া ও টমাস ডেলানির ওপর নির্ভর করবেন হিউলমান্দ। আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের হয়ে দারুণ খেলে একাদশে থাকার দাবি জোরালো করেছেন ইয়েসপার লিন্ডস্ট্রোম।

আক্রমণভাগে সেভিয়ার কাসপার ডোলবার্গের সঙ্গে দেখা যেতে পারে সাবেক বার্সেলোনা তারকা মার্টিন ব্রাথওয়েটকে। মিকেল ডামসগার্ড এবং আন্দ্রেয়াস ওলসেনও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ এক দলই দিয়েছে ডেনমার্ক। এর সঙ্গে বাকি পাঁচজন কারা যোগ হন সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

বিশ্বকাপে ২১ সদস্যের ডেনমার্ক দল:

গোলরক্ষক: কাসপার স্মাইকেল, অলিভার ক্রিস্টিনসেন

ডিফেন্ডার: সিমন কিয়ার (অধিনায়ক), আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিনসেন, ইওয়াকিম অ্যান্ডারসেন, ইওয়াকিম ম্যালে, ড্যানিয়েল ভাস, ইয়েন্স স্ট্রিগার লারসেন, ভিক্টর নেলসন, রাসমুস ক্রিস্টিনসেন।

মিডফিল্ডার: ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন, টমাস ডেলানি, পিয়েরে–এমিল হইবিয়া, মাথিয়াস ইয়েনসেন।

ফরোয়ার্ড: মার্টিন ব্রাথওয়েট, আন্দ্রেয়াস কর্নেলিয়ুস, কাসপার ডোলবার্গ, আন্দ্রেয়াস স্কোভ ওলসেন, মিকেল ডামসগার্ড, ইয়োনাস ভিন্ড, ইয়েসপার লিন্ডস্ট্রম।