৪৮ দলের বিশ্বকাপে ৪২টি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল গত বছরই। বাকি ছয়টি নিশ্চিত হলো ৩১ মার্চের সূচিতে। ইউরোপীয় প্লে-অফ থেকে তুরস্ক, বসনিয়া, সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্র আর আন্তমহাদেশীয় প্লে–অফ থেকে ইরাক ও ডিআর কঙ্গো বিশ্বকাপে জায়গা করেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দলের বিশ্বকাপে ফেরা মাইলফলকময়। তেমনই কিছু তথ্য জানুন সংখ্যায় সংখ্যায়—
২০১৮ ও ২০২২ আসরেও খেলতে না পারা ইতালি ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। চারবারের চ্যাম্পিয়নরা শেষ বার নকআউটে খেলেছে ২০০৬ সালে, যখন ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল
আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে বলিভিয়াকে হারিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে ইরাক। এর আগে শুধু ১৯৮৬ বিশ্বকাপেই খেলেছিল দেশটি।
আফ্রিকা মহাদেশ থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট কাটা দশম দল ডিআর কঙ্গো। বাকি নয়টি হচ্ছে আলজেরিয়া, কেপ ভার্দে, আইভরিকোস্ট, মিসর, ঘানা, মরক্কো, সেনেগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও তিউনিসিয়া।
ইউরোপীয় প্লে-অফ ফাইনালে কসোভোকে হারিয়ে ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে তুরস্ক। এবার দলটি তৃতীয়বার বিশ্বকাপ খেলবে। দ্বিতীয়বার খেলেছিল ২০০২ সালে, সে বার তুরস্ক সেমিফাইনালে খেলেছিল।
স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মাত্র দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে জায়গা করেছে চেক প্রজাতন্ত্র বা চেকিয়া। প্রথমবার খেলেছিল ২০০৬ আসরে। এর আগে চেকস্লোভাকিয়ার অংশ হিসেবে আটবার বিশ্বকাপ খেলেছে দেশটির খেলোয়াড়েরা, যার মধ্যে ১৯৩৪ ও ১৯৬২ সালে হয়েছিল রানার্সআপও।