নেইমার নিজে এবার ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনীত ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পাননি। ২০২১–২২ মৌসুমটা ভালো যায়নি ব্রাজিলিয়ান তারকার। ইনজুরি–জর্জরিত সে মৌসুমে পিএসজির হয়ে মাত্র ২৮ ম্যাচ খেলেন নেইমার। গোল করেছিলেন ১৩টি। তবে ভিনিসিয়ুসকে নিয়ে আশাবাদী ছিলেন নেইমার। পিএসজি ফরোয়ার্ড যে তাঁকে শীর্ষ তিনে দেখার আশায় বসে ছিলেন, সেটি বোঝা গেছে ব্যালন ডি’অর শেষে তাঁর প্রতিক্রিয়ায়।

ব্যালন ডি’অরজয়ী রিয়াল তারকা করিম বেনজেমাকে অভিনন্দন জানালেও ভিনিসিয়ুসের অবস্থানে সন্তুষ্ট হতে পারেননি নেইমার। তাঁর টুইট, ‘বেনজেমা যোগ্য হিসেবেই জিতেছে। কিন্তু ভিনির অষ্টম হওয়া অসম্ভব...অন্তত শীর্ষ তিনে থাকে।’

বেনজেমার সঙ্গে গত মৌসুমে রিয়ালের আক্রমণভাগে দুর্দান্ত জুটি গড়েন ভিনিসিয়ুস। প্রতিপক্ষ দলগুলোর সবচেয়ে কঠিন ডিফেন্ডারদেরও পাত্তা দেননি। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে তাঁর গোলেই জিতেছিল রিয়াল। ৪ গোল করার পাশাপাশি ৭টি গোলও বানিয়েছেন ভিনিসিয়ুস চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমে।

লা লিগায় ৩৫ ম্যাচে ১৭ গোল করার সঙ্গে বানিয়েছেন আরও ১৩টি গোল। বার্সেলোনার বিপক্ষে স্প্যানিশ সুপার কাপেও গোল পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস।

কিন্তু ব্যালন ডি’অরজয়ী বেনজেমার পর দ্বিতীয় হন বায়ার্ন মিউনিখের সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড সাদিও মানে। লিভারপুলের হয়ে নিজের শেষ মৌসুমে দুর্দান্ত খেলার পাশাপাশি সেনেগালের জয়ে কাপ অব নেশনসও জেতেন মানে। তৃতীয় হন ম্যানচেস্টার সিটির বেলজিয়ান মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনা।

তবে ভিনিসিয়ুসের অষ্টম স্থান নিয়ে আপত্তি নেই রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তির। ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেওয়ার রাতেই সংবাদমাধ্যমকে ইতালিয়ান এই কোচ বলেছেন, ‘আমার মনে হয় ঠিকই আছে। কারণ, এতে সে গত বছরের তুলনায় আরও ভালো করার চেষ্টা করবে। এই অবস্থান তাকে আরও ভালো খেলতে সহায়তা করবে।’