আসলে এসসিজি আজ মূলত ভারতের জন্যই অপেক্ষা করছিল। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আজকের দিনের জন্য সিডনির সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, এমন শোনা গিয়েছিল আগে থেকেই। তবে সেসব টিকিট যে মূলত অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী ভারতীয়রাই কিনেছেন, তা বোঝা গেল ভারত–নেদারল্যান্ডস দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে।

৪৮ হাজার আসনের গ্যালারি একেবারে কানায় কানায় পূর্ণ। টিকিট না পেয়ে স্টেডিয়ামের বাইরেও অনেককে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। অথচ সিডনিতে প্রায় ৬০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি থাকলেও বাংলাদেশ–দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচে গ্যালারিতে হাজার দশেকের বেশি দর্শক হয়েছে বলে মনে হয় না।

যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরও অবশ্য বাংলাদেশের বড় হারে হতাশ হয়েই ছাড়তে হয়েছে মাঠ। এর পর থেকেই এসসিজি যেন ভারতীয় উৎসবের মঞ্চ হয়ে উঠল। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটিং দেখে একটু পরপরই উত্তাল হয়েছে আকাশি–গেরুয়া গ্যালারি। উড়েছে ভারতের পতাকা।

তারপরও অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ২০০ ছুঁতে পারেনি ভারত। ২ উইকেটে ১৭৯ রান করে শেষ তাদের ইনিংস।

নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটারদের সৌভাগ্যই বলতে হবে। ভারতের বিপক্ষে খেলা বলে ঐতিহাসিক সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের আসল ড্রেসিংরুমটা অন্তত ব্যবহার করতে পারলেন তাঁরা। প্রেসবক্সে বসেই ড্রেসিংরুমের সামনে দেখা যাচ্ছিল দুই দলের ক্রিকেটারদের।