রূপায়ন সিটি কুমিল্লার হয়ে জোড়া গোল করেন সোহানুর রহমান। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনিই। ১টি করে গোল করেছেন পুস্কর খীসা, ওবায়দুল হাসান। মোনার্ক পদ্মার ১টি করে গোল করেছেন কৃষ্ণ কুমার, জাপানি খেলোয়াড় মিয়া তানিমিতসু ও কোরিয়ান খেলোয়াড় সি জং।

প্রথম কোয়ার্টারে ৩টি পেনাল্টি কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি রুপায়ন কুমিল্লা। তবে ২২ মিনিটে ভারতীয় প্রদীপ মোরের বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে পুস্কর খীসা দারুণ গোল করেন। এরপর ২৩ মিনিটে ওবায়দুল করেন ২-০।

২৭ মিনিটে অবশ্য কৃষ্ণ কুমারের গোলে (২-১) ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে মোনার্ক পদ্মা। কিন্তু ৩৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে সোহানুর করেন ৩-১। পরপর দুই মিনিটে অবশ্য মিয়া তানিমিতসু ও সি জংয়ের গোলে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে মোনার্ক পদ্মা। কিন্তু ম্যাচ শেষের দুই মিনিট আগে সোহানুরের পেনাল্টি কর্নারের গোলে হৃদয় ভাঙে মোনার্ক পদ্মার।

এমন জয়ের পর দলের সহকারী কোচ মশিউর রহমান উচ্ছ্বসিত, ‘মোনার্ক পদ্মা গত ম্যাচটা অসাধারণ খেলেছিল। এক ম্যাচ আগেই আমরা হেরেছিলাম। তাই জয়ে ফেরা ছিল চ্যালেঞ্জের। জিততে পেরে আমরা খুশি।’