হাসিবের তিন পদক, রানার্সআপ হয়ে ফিরছে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ান টেবিল টেনিসে রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশটিটি ফেডারেশন

দক্ষিণ এশিয়ান যুব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের সিমলায় আজ শেষ হওয়া চার দিনের টুর্নামেন্টে ১টি করে সোনা ও রুপা এবং ৬টি ব্রোঞ্জ জিতেছে লাল–সবুজের দল। এর আগে ২০২৩ সালে ভারতেই অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ৯টি পদক জিতেছিল।

স্বাগতিক ভারত এবার ১৩টি সোনা, ৪টি রুপাসহ ১৭টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অন্যদিকে ৩টি রুপা, ১১টি ব্রোঞ্জসহ ১৪টি পদক নিয়ে শ্রীলঙ্কা তৃতীয়। ৩টি রুপা, ৭টি ব্রোঞ্জসহ ১০টি পদক পেয়ে নেপাল চতুর্থ এবং ৩টি রুপা, ৪টি ব্রোঞ্জসহ ৭টি পদক নিয়ে মালদ্বীপ পঞ্চম হয়েছে।

শেষ দিনে আজ অনূর্ধ্ব-১৯ ছেলেদের দ্বৈতের ফাইনালে নাফিজ-হাসিব জুটি সোনা জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের রাজশেখরন-সেথিল জুটির কাছে ১-৩ সেটে হেরে যায়। ফলে রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় বাংলাদেশকে।

দলগত একটি ইভেন্টে সোনা জিতেছে বাংলাদেশ
টিটি ফেডারেশন

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এক নম্বর র‍্যাঙ্কিংধারী আবুল হাসেম হাসিব। দলগত ইভেন্টে সোনা, দ্বৈতে রুপা ও মিশ্র দ্বৈতে ব্রোঞ্জ জিতে মোট তিনটি পদক জিতেছেন তিনি। এ ছাড়া নাফিজ ইকবাল দলগত সোনা ও দ্বৈতে রুপাসহ দুটি পদক এবং জয় ইসলাম ও তাহমিদুর রহমান সাকিব দলগত ইভেন্টে সোনা জেতেন।

অনূর্ধ্ব-১৫ বিভাগে মিদুল রহমান দলগত, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে তিনটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন।  শাহীন আহম্মেদ দলগত ও দ্বৈতে দুটি এবং তামজিদুর রহমান পরশ দলগত ইভেন্টে একটি ব্রোঞ্জ পেয়েছেন। বালিকা বিভাগে খই খই সাই মারমা দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে দুটি এবং রেশমী তৈঞ্চঙ্গা দ্বৈতে একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন। অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা দলের রোজা ইসলাম দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে দুটি এবং রাফিয়া চৌধুরী দ্বৈতে একটি ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।

আরও পড়ুন

লক্ষণীয় বিষয়, বাংলাদেশের সব পদকই এসেছে দলগত, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈত ইভেন্ট থেকে। এককে অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-১৫ দুই বিভাগেই কোনো খেলোয়াড় পদক জিততে পারেনি। আজ শেষ দিনে এককে বাংলাদেশের চার খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছেন।

দলের ১৫ খেলোয়াড়ের ১৪ জনই বিকেএসপির বর্তমান বা সাবেক শিক্ষার্থী। বিকেএসপির বাইরে একমাত্র খেলোয়াড় ছিলেন রংপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার জান্নাতুল রোজা।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে বাংলাদেশ টিটি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন মাকসুদ আহমেদ বলেছেন, ছেলেদের দল প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো খেললেও মেয়েরা সে তুলনায় পিছিয়ে ছিল। বৈরী আবহাওয়া ও অপরিচিত পরিবেশের সঙ্গে আরও আগে খাপ খাওয়াতে পারলে ফলাফল আরও ভালো হতে পারত বলে মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন