প্রথম ম্যাচে চারজন স্বীকৃত বোলার নিয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ—তিনজন পেসারের সঙ্গে ছিলেন একজন পেসার। পঞ্চম বোলার হিসেবে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাও সবাই অফ স্পিনার। তবে ম্যাচ বাংলাদেশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন দুজন ডানহাতি জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যান। কাল ম্যাচ শেষেই দলে বাঁহাতি স্পিনারের না থাকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তামিম ইকবাল বলেছিলেন, ‘এখন অবশ্যই চিন্তা করলে মনে হয় (দলে বাঁহাতি স্পিনার থাকলে ভালো হতো)। তবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সেটিকে ভুল বলব না। কারণ, যদি আগে বোলিং করতাম। তাহলে ভিন্ন হতো। পরের ম্যাচের আগে কম্বিনেশন কী হবে, সেটি ভাবতে হবে।’

default-image

বাংলাদেশ দলে আছেন দুজন বাঁহাতি স্পিনার—তাইজুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ। আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় হওয়ার কথা টিম মিটিং। সেখানে এ প্রসঙ্গে আলোচনা উঠলে হয়তো এগিয়ে থাকবেন তাইজুলই। সর্বশেষ যে ওয়ানডে খেলেছিলেন, তাতে তাইজুল ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ২৮ রানে। নাসুমও সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ওই ম্যাচেই, ৩৯ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট।

গায়ানার সঙ্গে হারারের কন্ডিশন আলাদা হলেও বাঁহাতি স্পিন বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য যোগ করবে, সেটি নিশ্চিতই। হেরাথও মোটামুটি নিশ্চিত, এ সিরিজেই তাইজুল বা নাসুমের একজনকে দলে দেখা যাবে। সিরিজ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে দলে স্পিনারদের চাই আমি। তবে প্রতিপক্ষ, দলের কম্বিনেশনের কথাও ভাবতে হবে। তবে আমি নিশ্চিত তাইজুল বা নাসুম ভবিষ্যতে অবশ্যই সুযোগ পাবে এবং ভালোও করবে।’

দল হিসেবেও বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে, আত্মবিশ্বাসী হেরাথ, ‘খেলোয়াড় হিসেবে, ব্যক্তি হিসেবে, দলের সদস্য হিসেবে এমন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি আমি। তবে ব্যাপারটা (হলো), কীভাবে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারি। আমি নিশ্চিত ছেলেরা ঘুরে দাঁড়াবে। হারাটা কখনোই ভালো কিছু নয়, তবে এটি তো খেলার অংশ। আমি নিশ্চিত ছেলেরা আরও তরতাজা হয়ে ফিরে আসবে।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন