বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই সময়কাল ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ওই সময়ে শারীরবৃত্তীয় দিক থেকে হোমো সেপিয়েন্স ও নিয়ানডারথল বা হোমো নিয়ানডারথালেনসিসের আবির্ভাব হয়েছিল আফ্রিকা ও ইউরোপ অঞ্চলে। তবে কিছু কিছু জীবাশ্মবিজ্ঞানী ওই সময়টিকে গোলমেলে সময় হিসেবে বর্ণনা করেন। কারণ, ওই সময়কার মানব বিবর্তনের বিষয়টি সম্পর্কে খুব ভালোভাবে বোঝার উপায় নেই।

কানাডার উইনিপেগ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও গবেষণা নিবন্ধের লেখক মিরজানা রকস্যানডিক বলেন, ‘মানুষের ভৌগোলিক পরিবর্তনকে স্বীকার করে এমন সঠিক পরিভাষার অভাবের ওই সময়ের মধ্যে মানব বিবর্তন সম্পর্কে কথা বলা অসম্ভব হয়ে পড়ে। নতুন শ্রেণিবিভাগের অধীনে হোমো বোডোয়েনসিস আফ্রিকার ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের কিছু অংশের মধ্য প্লাইস্টোসিন যুগের তথ্য তুলে ধরবে। তবে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বেশির ভাগই নিয়ানডারথল প্রজাতির মধ্যে পড়বে।

মিরজানা রকস্যানডিক বলেন, একটি নতুন প্রজাতির নামকরণ একটি বড় ব্যাপার। কারণ, নামকরণের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন জুলজিক্যাল নোমেনকালচার নির্ধারিত নিয়মের অধীনেই কেবল নাম পরিবর্তনের সুযোগ থাকে।

গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ইভল্যুশনারি অ্যানথ্রোপলজি ইসুজ নিউজ অ্যান্ড রিভিউজ সাময়িকীতে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন