ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, বোমা বানাতে হাত লাগানো এই নারীদের মধ্যে রয়েছেন গৃহিণী থেকে শুরু করে শিক্ষিকা এমনকি আইনজীবীরাও। তাঁরা জানান, যে কোনো কিছু করতে প্রস্তুত রয়েছেন তাঁরা।

দনিপ্রো শহরটি এখনো রুশ হামলার কবলে পড়েনি। তবে শহরটির সেনা হাসপাতালের ৪০০ শয্যা এখন ভর্তি। পূর্ব ইউক্রেনের নানা অঞ্চল থেকে যুদ্ধাহত সেনারা সেখানে আসছেন।

বিবিসির তথ্যমতে, হাসপাতালটির ফটকে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় দেখা গেছে। হাসপাতালে ব্যবহারের জন্য নানা চিকিৎসা সরঞ্জাম এনেছেন তাঁরা। এর কোনো কিছুই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। কাছেই যুদ্ধে যোগ দিতে লোকজনকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

দনিপ্রো শহর থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে ছুটতে দেখা গেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিবিসিকে তাঁরা বলেন, নিজেদের ইচ্ছাতে তাঁরা শহর ছেড়ে যাচ্ছেন না। তাঁদের সামনে আসলে আর কোনো পথ খোলা নেই।

এদিকে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী তাদের ফেসবুক পেজে দাবি করে বলেছে, তারা আগ্রাসনে জড়িত ৩ হাজার ৫০০ রুশ সেনাকে হত্যা ও প্রায় ২০০ জনকে বন্দী করেছে। আরও দাবি করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত রাশিয়া ১৪টি যুদ্ধবিমান, ৮টি হেলিকপ্টার ও ১০২টি ট্যাংক হারিয়েছে। তবে, এসব দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন