বিজ্ঞাপন

ফাইজারের এই টিকা একজন মানুষের শরীরে দুই ডোজ প্রয়োগ করতে হবে। যদি এফডিএ এই টিকার অনুমোদন দেয়, তাহলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ মার্কিন এই প্রতিষ্ঠান ৫ কোটি ডোজ পর্যন্ত টিকা সরবরাহ করতে পারবে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ টিকার এই সরবরাহ বেড়ে গিয়ে ১৩০ কোটি ডোজ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে।

তবে চলতি বছর উৎপাদিত টিকার অর্ধেকের মতো শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই সরবরাহ করা হবে।
ফাইজার ৯ নভেম্বর জানিয়েছিল, তাদের টিকা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর। তখন জানানো হয়েছিল। সেই টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পরিবহন ও সংরক্ষণ করতে হবে। এফডিএর অনুমতি পাওয়ার পর ফাইজারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে তারা কীভাবে এই টিকা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করবে। আজ নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, ফাইজার ইতিমধ্যে একটি নকশা প্রণয়ন করেছে। ওই নকশা অনুযায়ী শুষ্ক বরফ সংযুক্ত বিশেষ বক্সে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার ডোজ টিকা রাখা হবে। পাশাপাশি এসব বক্সের সঙ্গে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) প্রযুক্তি সংযুক্ত থাকবে। গতানুগতিক ফ্রিজগুলোতে এসব বক্স ৫ দিন পর্যন্ত টিকা সংরক্ষণ করা যাবে। বিশেষ ফ্রিজে সংরক্ষণের ক্ষেত্র এই বক্সে টিকা রাখা যাবে সর্বোচ্চ ১৫ দিন। তবে এর বেশি সংরক্ষণ করতে হলে পুনরায় শুষ্ক বরফ দেওয়ার পাশাপাশি দিনে দুই বারের বেশি বক্স খোলা যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি মডার্না ইনকর্পোরেশন গত সোমবার জানায়, তাদের তৈরি টিকা করোনা ঠেকাতে ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকর। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, মডার্নার আশা, তাদের টিকা রেফ্রিজারেটরে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৩০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে। আর মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এটা সংরক্ষণ করা যাবে ৬ মাস।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন