পুলিশ কমিশনার ক্লেটন ফার্নান্ডার বলেন, নৌযানটিতে ৬০ জনের মতো আরোহী ছিলেন। আরও অনেকে নিখোঁজ বলে মনে করা হচ্ছে।

বাহামার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মানব পাচারে জড়িত সন্দেহে দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। উভয়ই বাহামার নাগরিক। জীবিত ও মৃত উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সবাই হাইতির বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বাহামার পুলিশ জানিয়েছে, নিউ প্রভিডেন্স দ্বীপ থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে নৌকাটি ডুবে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশী হাইতিয়ানরা প্রায়ই বাহামার ট্রানজিট রুট ব্যবহার করে থাকেন। দারিদ্র্য ও অপরাধী চক্রের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা থেকে পালাচ্ছেন হাইতিয়ানরা। ফলে গত বছর নড়বড়ে নৌযানে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

অভিবাসনমন্ত্রী কেইথ বেল বলেন, এ সমুদ্রযাত্রার জন্য প্রত্যেকে তিন থেকে আট হাজার ডলার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া আরোহীরা।

মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় হাইতির ৮৪২ জন আরোহী নিয়ে একটি নৌযান পথ হারিয়ে কিউবার উত্তর উপকূলে গিয়ে ওঠে। একই মাসে পুয়ের্তোরিকোর কাছে হাইতির অভিবাসী বহনকারী নৌকা ডুবে ১১ জন প্রাণ হারান।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন