শান্তি আলোচনা শুরুর পর গতকাল বুধবার প্রথমবারের মতো ব্রিফিংয়ে আসেন নাইজেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ওলুসেগুন ওবাসাঞ্জো।

ওলুসেগুন ওবাসাঞ্জো বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা, পরিষেবাগুলো সচল করা, বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা পাওয়ার নিশ্চয়তার পাশাপাশি সুশৃঙ্খল, মসৃণ ও সমন্বিত নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে ইথিওপিয়ার সরকার ও তাইগ্রে কর্তৃপক্ষ একমত হয়েছে।

সমঝোতাকে ইথিওপিয়ার জন্য নতুন ‘ভোর’ বলে অভিহিত করেছেন ওলুসেগুন ওবাসাঞ্জো।

২০২০ সালের নভেম্বরে এই সংঘাত শুরু হয়। তাইগ্রের আঞ্চলিক বাহিনীগুলো দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। পরে এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে অন্যান্য অঞ্চল ও প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার বাহিনীগুলো।

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বুধবারের যুগান্তকারী এই সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে।

আবি আহমেদ বলেন, ‘শান্তির প্রতি অঙ্গীকার সুদৃঢ়ভাবে অটুট রয়েছে। চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতার বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকার সমানভাবে শক্তিশালী।’

তাইগ্রে বিদ্রোহীরাও চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, চুক্তি সইয়ে তারা ছাড় দিয়েছেন।

তাইগ্রে বিদ্রোহীদের প্রতিনিধিদলের প্রধান গেটাচেউ রেডা বলেন, ‘এই চুক্তি বাস্তবায়ন ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে আমরা প্রস্তুত আছি।’

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যুদ্ধবিরতির সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মুখপাত্র স্টিফানে ডুজারিক সাংবাদিকদের এসব কথা বলেছেন। সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ। এই সংঘাত হাজারো মানুষকে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।