default-image

জীববিজ্ঞানী জেব হোগান বলেন, ‘এটা খুবই রোমাঞ্চকর খবর। কারণ, এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় (মিঠাপানির) মাছ।’ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের ‘মনস্টার ফিশ (অতিকায় মাছ)’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন হোগান। বর্তমানে এই নদীর একটি সংরক্ষণ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি।

হোগান বলেন, এটা উদ্দীপনা পাওয়ার মতোও খবর। কারণ, এর মানে মেকং নদীর বিস্তৃত এলাকা এখনো প্রাণীদের জীবনধারণের উপযোগী আছে। এটা আশার বিষয় যে এখনো এই বিশাল মাছ এখানে বেঁচে আছে।

গত সপ্তাহে কোহ প্রেহ দ্বীপের উপকূলে জালে ধরা পড়ে বোরামি। নদীর উত্তর কম্বোডিয়া অংশে দ্বীপটি অবস্থিত। ওজনের দিক থেকে মাছটি ২০০৫ সালে থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের উজানে ধরা পড়া ২৯৩ কেজির মাগুর প্রজাতির মাছটিকে ছাড়িয়ে যায়।

নদী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৈচিত্র্যপূর্ণ মাছের ভান্ডার মেকং নদী। যদিও মাত্রাতিরিক্ত মাছ শিকার, দূষণ, লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ এবং পলি ক্ষয়ের কারণে এই সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন