বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাশিমি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আফগানিস্তানে শরিয়াহ আইনব্যবস্থা আনার জন্য আমরা ৪০ বছর ধরে লড়াই করেছি। শরিয়াহ আইন পুরুষ ও নারীদের একত্র হতে বা এক ছাদের নিচে একসঙ্গে বসার বিষয়টি অনুমোদন দেয় না।’

হাশিমি বলেন, ‘নারী ও পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে পারেন না, এটা পরিষ্কার। অফিসে এসে আমাদের মন্ত্রণালয়ে কাজ করার অনুমতি তাঁদের নেই।’

তালেবানের অতীতের কট্টর নীতি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশটির সরকারি অফিস, ব্যাংক, গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীদের চাকরির সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

গত ১৫ আগস্ট কাবুল পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে চলে যায়। চলতি মাসের শুরুর দিকে তালেবান নতুন সরকার গঠনের ঘোষণা দেয়। তালেবানের এই সরকারের মন্ত্রিসভায় কোনো নারী সদস্য নেই। এ নিয়ে আফগান নারীরা প্রতিবাদ জানিয়ে তালেবানের দমন–পীড়নমূলক আচরণের শিকার হন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ব্যাপারে তাদের হতাশা ব্যক্ত করে।

ক্ষমতা দখলের পর তালেবান বলে আসছে যে আফগান নারীরা শরিয়াহ আইন দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে কাজ ও পড়াশোনা করতে পারবেন। তবে প্রকৃতপক্ষে আফগান নারীদের তালেবান কতটুকু স্বাধীনতা দেবে, তা নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ ও অনিশ্চয়তা আছে।

১৯৯৬-২০০০ সালে তালেবান যখন আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা নারীদের পড়ালেখা ও বাইরে কাজকর্ম নিষিদ্ধ করেছিল। তালেবান যদি এবারও একই পথে চলে, তাহলে তারা আন্তর্জাতিক মহল থেকে স্বীকৃতি আদায়, সহায়তাপ্রাপ্তিসহ অন্যান্য চাপে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন