default-image

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভের সময় চীনা বিনিয়োগ রয়েছে এমন কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত চীন–সংশ্লিষ্ট অন্তত ৩২টি কারখানায় ভাঙচুর চালিয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা। মিয়ানমারে অবস্থানরত চীনা নাগরিক ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জান্তা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমস–এর খবরে বলা হয়েছে, সোমবার দুপুর পর্যন্ত ইয়াঙ্গুনে চীনা বিনিয়োগ রয়েছে এমন অন্তত ৩২টি কারখানায় ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এসব ঘটনাকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যমটি। তবে ভাঙচুরের পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনায় চীনের দুজন কর্মী আহত হয়েছেন বলেও মিয়ানমারের চীনা দূতাবাসের বরাতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে চীনা মুদ্রায় ২৪ কোটি ইউয়ানে।  

বিজ্ঞাপন

রোববার মিয়ানমারে চীনা দূতাবাস দেশটিতে তাদের নাগরিক ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জান্তা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে চীনা বিনিয়োগ রয়েছে, এমন একাধিক পোশাক কারখানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ভাঙচুর চালিয়েছে। আগামী দিনে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন।

ছয় সপ্তাহ ধরে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল রয়েছে রাজধানী নেপিডো, ইয়াঙ্গুনসহ পুরো মিয়ানমার। প্রতিদিনই রাজপথে চলছে মিছিল-সমাবেশ। বিক্ষোভে বাড়ছে জনসমাগম। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জান্তা সেনা-পুলিশের দমন–পীড়ন। রোববার দেশটিতে পুলিশের গুলিতে এক দিনে ৩৯ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর মিয়ানমারে সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন ছিল এটি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন