এবারের বৈঠকে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তাই ইউক্রেন যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুতে পশ্চিমাদের সঙ্গে চীনের বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মধ্যেই বৈঠকে মিয়ানমারকে অংশ নিতে না দেওয়ার খবর জানানো হলো।

গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। দেশটিতে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। গ্রেপ্তার করা হয় নোবেল বিজয়ী গণতন্ত্রকামী নেত্রী অং সান সু চিসহ দেশটির বেসামরিক সরকারের নেতাদের। সেনাশাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামে মিয়ানমারের জনগণ। এর পর থেকে অশান্ত হয়ে ওঠে পুরো মিয়ানমার। বছরের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ-প্রতিবাদে মিয়ানমারে হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বিক্ষোভ দমনের নামে নিজ দেশের মানুষের ওপর শক্তি প্রয়োগের সমালোচনা করেছে আসিয়ান। মিয়ানমারে শান্তি ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে এ জোট। এর আগে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় আসিয়ানের শীর্ষ বৈঠকেও যোগ দেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। তবে আসিয়ানের শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে খুব একটা আগ্রহী হতে দেখা যায়নি তাঁকে। এটা নিয়ে জান্তা সরকারের সঙ্গে আসিয়ানের দূরত্ব বেড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এবার জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক থেকে মিয়ানমারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হলো।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন