এতে আরও বলা হয়, স্কাই অ্যাভিয়েটর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর পক্ষে উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ আমদানিসহ অস্ত্র চুক্তিতে সহযোগিতা করেছে।

জ্যেষ্ঠ জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারে ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। অং সান সু চির ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক লিগের (এনএলডি) সরকারকে উৎখাতের পর দেশটি সংকটে পড়ে।

সামরিক বাহিনীর শাসন ব্যাপক সশস্ত্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে। নির্মম কায়দায় তার জবাব দেয় সেনাবাহিনী। পর্যবেক্ষক সংগঠন অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস বলছে, গত ২ বছরে ২ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক একটি সংস্থা জানিয়েছে।

ইইউর নতুন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছেন সামরিক বাহিনী ও স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলের (এসএসি) সদস্যরা। সামরিক বাহিনী দেশ পরিচালনায় এই পরিষদ গঠন করেছিল। পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও কারা পরিষেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর জন্য অস্ত্র কেনার সঙ্গে জড়িত থাকায় তাই জা ও অং মায়ো মিন্টকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সামরিক বাহিনীকে অর্থায়ন, রোহিঙ্গা নিপীড়নের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং অস্ত্র কেনায় মধ্যস্থতা করায় নাইং তুত অংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারির পর নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইইউ। সব মিলিয়ে মিয়ানমারের ৮৪ ব্যক্তি এবং ১১ প্রতিষ্ঠান ইইউর নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ল। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কেউ ইউরোপের ভিসা পাবেন না এবং ইউরোপে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে।