তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইংওয়েনের সঙ্গে বৈঠকে পেলোসি বলেন, যখন আইনপ্রণেতারা ১৯৭৯ সালে ‘তাইওয়ান সম্পর্ক আইন’ পাস করেছিলেন, তখনই তাইওয়ানের পাশে সব সময় দাঁড়ানোর নীতিগত অঙ্গীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই আইনটি দ্বীপটির আত্মরক্ষায় সহযোগিতা করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে।

তাইওয়ানের প্রতি ‘অবিচল সমর্থন’ জানানোয় পেলোসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। তিনি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারকে দ্বীপটির সবচেয়ে ‘নিষ্ঠাবান বন্ধুদের’ একজন অভিহিত করেন।

সাই বলেন, ‘এই সংকটময় মুহূর্তে তাইওয়ানের প্রতি আপনাদের দৃঢ় সমর্থন এবং তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সমর্থনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক নীতির জানান দিতে নেওয়া শক্ত পদক্ষেপের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’

এর আগে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৪ মিনিটে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে তাইপে পৌঁছান পেলোসি।

পেলোসির সফর ঘিরে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এ জন্য ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে চীন।

ইতিমধ্যে তাইওয়ান থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে চীন। একই সঙ্গে তাইওয়ানের চারপাশ ঘিরে তিন তিনের বিমান ও নৌ মহড়ারও ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন