চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের গভীর বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। তাইওয়ানের রপ্তানির প্রায় ৩০ শতাংশই চীনে হয়ে থাকে। তাইপের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হলো বেইজিং।
এর আগে গতকাল রাতে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই তাইপে পৌঁছান পেলোসি।

স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৪ মিনিটে তাঁর উড়োজাহাজ তাইপের মাটি স্পর্শ করে।
পেলোসির এই সফরে চটেছে চীন। প্রতিবাদ জানাতে বেইজিংয়ে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নসকে তলব করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী শিয়ে ফেং বলেন, পেলোসির এ সফর ‘অসদুদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। কঠিন পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, চীন অলস বসে থাকবে না।

পেলোসির সফর ঘিরে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলের জলসীমায় যুদ্ধবিমানবাহী একটি রণতরিসহ চারটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে চীন। আকাশে চক্কর দিয়েছে চীনা যুদ্ধবিমান।

গত ২৫ বছরের মধ্যে তাইওয়ান সফর করা সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ মার্কিন রাজনীতিবিদ পেলোসি। তবে তাঁর এ সফরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সমর্থন দেননি।

তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড মনে করে বেইজিং। কিন্তু তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই দেখে দেশটির জনগণ। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে আসছে।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন