বিবৃতিতে গত ৮ জুনের কয়েকটি স্যাটেলাইট চিত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে। ওই চিত্রগুলোতে সেদিন রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন করা ড্রোনগুলো দেখা গেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এরপর ৫ জুলাই আবার বিমানঘাঁটিটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রুশ কর্মকর্তারা। তখন একই ধরনের সামরিক সরঞ্জাম তাঁদের দেখানো হয়।

এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, রাশিয়াকে ইরান শত শত ড্রোন সরবরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন তথ্য তাদের হাতে রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি অস্ত্র বহনে সক্ষম। এমনকি ওই ড্রোনগুলো ব্যবহারে রুশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পথে হাঁটছে তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ান অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি নাকচ করেছেন। গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন।

এদিকে এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্য সফরে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এরই মধ্যে গতকাল ভারত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো ড্রোন বহনে সক্ষম নৌবহর মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে অবশ্য এর আগেই ড্রোন সরবরাহ করেছে দেশটি।

বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য সফরের একটি উদ্দেশ্য হলো, এই অঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা রুখতে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা। আজ তাঁর আরব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন