কাবুলে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর ড্রোন হামলায় নিহত হন আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের পুরোপুরি দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার পর কাবুলে এটাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হামলা।

তালেবানের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, আয়মান আল-জাওয়াহিরি আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছেন এবং কাবুলে অবস্থান করছেন, সেই বিষয়ে তালেবান সরকার কিছুই জানতো না। পরবর্তীতে আফগানিস্তানের মাটিতে এ ধলনের হামলা না চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়েছে তালেবান।

এর পর দিনই কাবুলের রাজপথে শত শত মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেন। প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে আফগানিস্তানের অন্তত সাতটি প্রদেশে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, মিছিলকারীদের হাতে ‘আমেরিকা মিথ্যুক’, ‘জো বাইডেন, মিথ্যা বলা বন্ধ করুন’ প্রভৃতি লেখা প্ল্যাকার্ড ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেন হামলার মূল সংগঠকদের একজন আয়মান আল-জাওয়াহিরি। মার্কিন হামলায় আল–কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর সংগঠনের হাল ধরেন আয়মান আল-জাওয়াহিরি। রোববার তালেবান নিয়ন্ত্রিত কাবুলের একটি সুরক্ষিত বাড়ির ব্যালকনিতে আয়মান আল-জাওয়াহিরি পা রাখামাত্রই ড্রোনের সহায়তায় দুটি হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সেখানে হামলা চালানো হয়। তাঁকে হত্যা করতে পারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নিঃসন্দেহে বড় একটা সফলতা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন