গোতাবায়া কবে শ্রীলঙ্কায় ফিরতে পারেন—এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল গুনাবর্ধনেকে। জবাবে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভার এই মুখপাত্র বলেন, গোতাবায়ার দেশের ফেরার সঠিক তারিখ তিনি জানেন না।

সরকারবিরোধী তুমুল বিক্ষোভের মুখে ১৩ জুলাই শ্রীলঙ্কা থেকে পালিয়ে মালদ্বীপে যান দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া।

পরদিন ১৪ জুলাই গোতাবায়া মালদ্বীপ থেকে সিঙ্গাপুরে যান। সিঙ্গাপুরে গিয়ে তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র দেশে পাঠিয়ে দেন।

গোতাবায়ার সিঙ্গাপুরে পা রাখার পর দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি ব্যক্তিগত সফরে সে দেশে এসেছেন। তাঁকে ১৪ দিনের স্বল্পমেয়াদি ‘ভিজিট পাস’ দেওয়া হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গোতাবায়া দেশটিতে আশ্রয় চাননি। তাঁকে আশ্রয় দেওয়াও হয়নি।

সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত গোতাবায়াকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকাভিত্তিক অধিকার সংগঠন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ট্রুথ অ্যান্ড জাস্টিস প্রজেক্ট (আইটিজেপি)।

সংগঠনটি গোতাবায়ার বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কায় তামিল বিদ্রোহী দমন অভিযানকালে জেনেভা কনভেনশনের গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। সে সময় তিনি শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন।

গোতাবায়া ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন রনিল বিক্রমাসিংহে। তিনি গোতাবায়ার ক্ষমতার শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন