default-image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কাল মঙ্গলবার। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিপক্ষ চীন উচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গতকাল রোববার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।

বিভিন্ন ইস্যুতে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্ক গত কয়েক দশকের মধ্যে এখন সবচেয়ে অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ভেতর থেকেই সতর্কতা এসেছে। পর্যবেক্ষকেরাও সতর্ক করেছেন। এ অবস্থায় চীনা নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে আরও অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা করছে চীন।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলকে কেন্দ্র করে দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে। বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আর তার প্রভাব পুরো বিশ্বে পড়তে পারে।

চীনা সরকারের এক উপদেষ্টার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যদি কোনো সংকট দেখা দেয়, তবে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সময় হবে। তখন সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রধান দুই প্রার্থী রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করার বিষয়ে লক্ষণীয়ভাবে বিরত রয়েছে বেইজিং। তবে ট্রাম্প ও বাইডেন উভয় প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারের বিভিন্ন সময়ে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে চীন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, চীনবিরোধিতা জোরদার হওয়ার আশঙ্কা করছে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক পর্যবেক্ষকের মতে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ইতিহাসে আগামী দুই থেকে তিন মাস সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক সময় হবে। বিশেষ করে যদি বাইডেন অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0