বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার শ্যালেনবার্গ বলেন, ‘এটি একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। লকডাউনের বিধি অনুসারে, টিকা না নেওয়া মানুষেরা একমাত্র জরুরি প্রয়োজন, যেমন ওষুধ ও খাবার কেনা ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না।’

অস্ট্রিয়ার এই নতুন পদক্ষেপে দেশটির ২০ লাখ মানুষের জীবনে প্রভাব পড়বে। এরই মধ্যে টিকা না নেওয়া মানুষেরা রেস্তোরাঁ, সেলুন ও প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। লকডাউনের সময় তাঁদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। অস্ট্রিয়ার ৬৫ শতাংশ মানুষ পুরোপুরি টিকা নিয়েছেন। পশ্চিম ইউরোপে এটি টিকাদানের সর্বনিম্ন হার।

গত এক সপ্তাহে অস্ট্রিয়ায় প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৮০০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটি পশ্চিম ইউরোপের অন্যতম সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তের হার। দেশটিতে সংক্রমণের উচ্চ হারের কারণে সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ছে। লকডাউনের প্রাথমিক মেয়াদ হবে আগামী ১০ দিন। অবশ্য ১২ বছরের কম বয়সী শিশু ও যাঁরা সম্প্রতি করোনা থেকে সেরে উঠেছেন, তাঁদের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন