সাংবাদিকদের এ জোটের পক্ষ থেকে অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করতে সুইস কর্তৃপক্ষের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। সুইস কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা অ্যাসাঞ্জকে সুরক্ষা দিতে ও তাঁকে মুক্ত করে সুইজারল্যান্ডে আশ্রয় দিতে কাজ করবে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্য সরকার অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের অনুমোদন দেওয়ার পর সাংবাদিক জোটের পক্ষ থেকে তাঁকে মুক্তির এ আহ্বান জানানো হলো। অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের কারাগারে বন্দী।

২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অতিসংবেদনশীল সামরিক ও কূটনৈতিক নথি প্রকাশ করায় অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনে মার্কিন প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর ১৭৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

অ্যাসাঞ্জের ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি বলে মনে করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর সমর্থকদের অভিযোগ, বৈধ নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে প্রতিবেদন করার পথ স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল জেনেভার ওই সম্মেলন থেকে যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার চরম অবমাননা বলে নিন্দা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক সুইস প্রেসক্লাবের প্রধান পিয়েরে রুয়েতচি সতর্ক করে বলেন, ‘গণতন্ত্রকে জিম্মি করা হচ্ছে। সাংবাদিকতাকে অপরাধীকরণের এ প্রচেষ্টা একটি গুরুতর হুমকি।’

পিয়েরে রুয়েতচির সঙ্গে একমত পোষণ করেন ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের সাংবাদিকদের জাতীয় ইউনিয়নের প্রধান টিম ডাউসন। তিনি বলেন, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে গুপ্তচর হিসেবে বিচারের হুমকি দিলে অন্য সাংবাদিকদের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে?

অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনে যৌন নিপীড়নের একটি মামলায় ২০১৯ সাল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের একটি শীর্ষ নিরাপত্তা কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন