বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইরাক-আফগানিস্তান যুদ্ধের মার্কিন সামরিক নথি প্রকাশ করেছিলেন অ্যাসাঞ্জ। ২০১০ সালে এসব নথি প্রকাশের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ১৮টি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ১০ ডিসেম্বর লন্ডনের হাইকোর্টে একটি আবেদনে জিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা প্রবল হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন অ্যাসাঞ্জ। সর্বোচ্চ আদালতে এ আপিল না টিকলে এবং হাইকোর্টের রায় কার্যকর হলে শিগগিরই অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।

অ্যাসাঞ্জের বাগ্‌দত্তা স্টেলা মরিস বলেন, উচ্চ আদালতের আদেশে জনহিতকর আইনের তিনটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। মানবাধিকার ইস্যু ও বিচারব্যবস্থায় এ আইনের প্রভাব রয়েছে। ব্রিটিশ আইন অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের এ বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ওই আইন অনুসারে, হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন, তার স্বীকৃতি সুপ্রিম কোর্ট থেকে আসতে হবে।

স্টেলা আরও বলেন, তাদের লিভ টু আপিল বর্তমানে হাইকোর্টে রয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানুয়ারির শেষ দিকে জানা যাবে।

অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বেলমার্শ কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়েছে। চলিত মাসে অ্যাসাঞ্জের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। এতে তাঁর ডান চোখের পাতায় সমস্যার পাশাপাশি স্মৃতিশক্তির সমস্যা এবং স্নায়বিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্টেলা।

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের খবর দিয়ে স্টেলা মরিস বলেছিলেন, সমস্যাটি জরুরিভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। চিড়িয়াখানায় আটকে থাকা প্রাণীদের মতো তাঁর অবস্থা। জুলিয়ানের সঙ্গে এটাই হচ্ছে। এটা তাঁর জন্য মানসিক সমস্যা তৈরি করছে।

স্টেলার অভিযোগ, অ্যাসাঞ্জকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কক্ষে আটকে রাখার পাশাপাশি বাতাস, সূর্যের আলো, পর্যাপ্ত খাদ্য ও প্রয়োজনীয় উদ্দীপনার ব্যবস্থা করা হয়নি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন