বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কমিশনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন চিকিৎসক, ইতিহাসবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও ধর্মতত্ত্ববিদ। আড়াই বছরে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি সাক্ষীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
বিশ্বব্যাপী গির্জার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং বিচারের দাবিতে ব্যাপক ক্ষোভের মধ্যে এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হলো।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশে এমন কয়েকটি কেলেঙ্কারির ঘটনা ফাঁস হয়। এরপর ফরাসি ক্যাথলিক গির্জা কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালে ওই তদন্তের আদেশ দেয়।

তদন্ত কমিশনের সভাপতি জিন-মার্ক সাউভ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সংখ্যাগুলো সবার মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এসব ঘটনা সত্যিই ভয়ংকর। প্রতিক্রিয়া দেখানো ছাড়া কোনো উপায় থাকতে পারে না। তিনি বলেন, ২০০০ সালের গোড়ার দিকে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি নিষ্ঠুর উদাসীনতা দেখিয়েছিল ক্যাথলিক চার্চ।

ফ্রান্সের বাইশপ কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট এরিক ডি মৌলিনস-বিউফোর্ট এই তদন্তে পাওয়া ভয়াবহ তথ্যের বিষয়ে নিজের লজ্জা ও অনুভূতির কথা স্বীকার করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি চাই আপনারা প্রত্যেকে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’

প্রায় ২ হাজার ৫০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভুক্তভোগীর বেশিরভাগ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির বালক। প্রতিবেদনে বলা হয়, পারিবারিক পরিবেশ এবং পরিচিতদের দ্বারা বেশি যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটে। শিশুরা এই পরিবেশের বাইরে সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয় ক্যাথলিক চার্চে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন