জেলেনস্কি বলেন, ‘দোনেৎস্ক অঞ্চলে আগের মতো ভয়াবহ লড়াই চলছে। যদিও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আজ তুলনামূলক কম হামলা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো রুশ গোলাবর্ষণের পরিমাণ অনেক বেশিই হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘লুহানস্ক অঞ্চলে লড়াইয়ের সময় আমরা ধীরে এগোচ্ছি। আজ দিন শুরুর পর পূর্বাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৪০০ গোলা হামলার ঘটনা ঘটেছে।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে দখলদারদের সম্ভাবনাকে অব্যাহত ও খুব সুচিন্তিতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

গতকাল দিনের শেষ দিকে জেলেনস্কি প্রশাসনের উপপ্রধান কিরিলো তিমোশেঙ্কো বলেন, দক্ষিণ ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে একটি আবাসিক ভবনে গোলাবর্ষণ করেছে রুশ বাহিনী।

বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে তিনি বলেন, ‘ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লোকজন আটক পড়ে থাকে পারেন। ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবার সদস্যরা কাজ করছেন।’

রুশ বাহিনী সরে গেলে সম্প্রতি আঞ্চলিক রাজধানী খেরসন শহরের ফের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউক্রেনীয় বাহিনী। তবে সেখানে বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। শীতে ঘর গরম রাখারও কোনো ব্যবস্থা নেই।

আগের দিন কিয়েভ বলেছিল, দক্ষিণাঞ্চলে দূরপাল্লার গোলা হামলায় প্রায় ৬০ জন রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। চার দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার একক হামলায় রুশ বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক হতাহতের এমন দাবি করল ইউক্রেনীয় বাহিনী।