গত সপ্তাহে অর্পিতার টালিগঞ্জের আবাসনে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ কোটি রুপি জব্দ করে ইডি। সেখান থেকেও অনেক সোনাদানা উদ্ধার করা হয়।

দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত শুক্রবার অর্পিতাকে গ্রেপ্তার করে ইডি। পরদিন শনিবার পার্থকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গতকাল রাতে অর্পিতার আবাসনে রুপির স্তূপ দেখে রাজ্য বিজেপির নেতা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী একটি টুইট করেন। তিনি লিখেন, টান টান উত্তেজনা, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর কে জিতবে? বেলঘরিয়া না টালিগঞ্জ?

রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, এ দৃশ্য তো বাংলার মানুষ কখনো দেখেনি। আজ বাংলায় মমতার নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে ‘ব্যাংক অব মমতা’। এই ব্যাংকে মমতায় দলের সব চোরাই মালামাল রাখা হয়। তারপরও কি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলবেন, যখন বিচার হবে তখন দেখা যাবে!

যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, বড় প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়ে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে।

একের পর এক আবাসন থেকে বিপুল অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের সুর এখন নরম হয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এমনটা মেনে নেওয়া যায় না, এমনটা কাম্য নয়। এগুলো মাথা হেঁট করার মতো ঘটনা।

কুণাল ঘোষ আরও বলেন, ‘আমরা দোষীকে আড়াল করার চেষ্টা করব না। এত টাকা এক জায়গায় স্তূপ করে রাখার ছবি উদ্বেগজনক। তাই একে কোনোমতেই আড়াল করার চেষ্টা করব না। এত টাকা এক জায়গায় জমিয়ে রাখার ঘটনা তো আলী বাবার গল্পে দেখা গিয়েছিল। তাই এই ছবি আমাদের জন্য গর্বের নয়, কলঙ্কের।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন