একই অভিযোগে গত বছর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন রাজ্যের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত আটজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা সিবিআই ও ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিভিন্ন মামলায় তাঁরা এখন কারাগারে আছেন।

এ ঘটনার মধ্যেই আজ গ্রেপ্তার হলেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আজ সকালে গ্রেপ্তারের পর ইডি বিকেলেই তাঁকে কলকাতার দায়রা আদালতে তোলে। এ সময় তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত দেওয়ার আবেদন জানায় ইডি। কুন্তলের আইনজীবী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হেফাজতে পাঠান।

কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ৩২৫ জন প্রার্থীসহ অন্যান্য নিয়োগের জন্য ৩০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন। আর এ অভিযোগ তুলেছেন, তৃণমূলের বেসরকারি কলেজ সংগঠনের নেতা তাপস মন্ডল। ঘুষ নেওয়ার যাবতীয় তথ্য ইডির হাতে তুলেও দেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ কুন্তল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ক্ষমতাসীন দলের নেতা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে। কুন্তল ঘোষ গ্রেপ্তারের পর বিজেপির নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘এত তেলাপিয়া ধরা হয়েছে। কাতলা কই?’

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সাবেক সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য এখন কারাগারে। মানিক ভট্টাচার্য গ্রেপ্তারের পর তাঁর সহকর্মী তাপস মন্ডল ফাঁস করেন শিক্ষক নিয়োগে কুন্তল ঘোষের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ।