পার্থ চট্টোপাধ্যায় একসময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন ছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর মমতা এই বিষয়ে এখনো নীরব। মুখ্যমন্ত্রীর এই নীরবতা বলে দিচ্ছে তিনি এখন আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছেন না।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা যেমন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দায় নিচ্ছেন না, তেমনি তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসও এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাইছে না। সাবেক মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি।

গত শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যায় ভারতের আর্থিক দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) একটি দল। জিজ্ঞাসাবাদের পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব। ইডি জানায়, পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদ ও পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির তদন্তের সূত্রে বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এর সঙ্গে প্রচুর টাকার ছবিও দেওয়া হয়। ছবিগুলো ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটে সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করার আগে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করে ইডি। অর্পিতা পার্থর সহকারী বলে জানিয়েছে ইডি। গতকাল অর্পিতার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০ কোটি রুপি জব্দ করেন ইডি কর্মকর্তারা।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আজ সোমবার ওডিশার রাজধানী ভুবনেশ্বরের অল ইন্ডিয়া মেডিকেল সায়েন্সে (এইমস) নেওয়া হয়েছে। ইডির আবেদনের পরে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভুবনেশ্বরের এইমসে নেওয়ার আদেশ দেন হাইকোর্ট।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন