গত জুলাই মাসে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, পিছিয়ে পড়া এই ১৬ থেকে ১৭ কোটি মুসলমানের জন্য কাজ করবে তাঁর সরকার। এ প্রতিশ্রুতি অবাক করেছে সাধারণ মানুষ তো বটেই, তাঁর দলেরই কর্মী-নেতাদের। যে দলের উত্থান মুসলমানবিরোধিতার মধ্য দিয়ে, তার শীর্ষ নেতা যখন সেই সম্প্রদায়কে কাছে টানার কথা বলেন, তখন সমর্থকদের অবাক হওয়াই স্বাভাবিক। বিজেপি অবশ্য পসমন্দাদের মধ্যে গিয়ে ধারাবাহিক গণসংযোগ শুরু করেছে মোদির মন্তব্যের পরেই।

কারা পসমন্দা

হিন্দু বর্ণব্যবস্থা বিশ্বের প্রাচীনতম পেশাভিত্তিক সামাজিক স্তরবিন্যাস। এ ব্যবস্থায় পাঁচটি প্রধান জাতি এবং হাজার হাজার উপজাতি রয়েছে, যার শীর্ষে রয়েছে ব্রাহ্মণ। দলিত ও অতিশূদ্র বা অস্পৃশ্যরা বিন্যাসের নিচে। ভারতে স্পর্শযোগ্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ।

ভারতে বরাবরের বিতর্ক হিন্দু বর্ণব্যবস্থা, ইসলামকে প্রভাবিত করে কি না তা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মহম্মদ রিয়াজের মত, হিন্দু বর্ণব্যবস্থা এত গভীর যে তা মুসলমান সমাজকে প্রভাবিত করে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বলা হয় ইসলামে সবাই সমান। কিন্তু রীতি-রেওয়াজ দেখলে বোঝা যায় সামাজিকভাবে স্বীকৃত উঁচু জাতি-শ্রেণির মানুষের সঙ্গে তথাকথিত নিচু জাতি-শ্রেণির মানুষের বিয়ে হয় না, মেলামেশাও সীমিত। অর্থাৎ, মুসলমান সমাজ হিন্দু বর্ণব্যবস্থা দ্বারা প্রভাবিত।’

মুসলমান সমাজ ভারতে তিন ভাগে বিভক্ত। শীর্ষে রয়েছে উচ্চ বর্ণের মুসলমান, আশরাফ। মার্কিন ইতিহাসবিদ রিচার্ড ইটনের মতে, এরা প্রধানত ‘ইরান মালভূমি থেকে অথবা আরব সাগর পেরিয়ে’ গত হাজার বছরের কম সময়ে ভারতে এসেছে। মাঝের শ্রেণি আজলাফকে প্রশাসনিক গোষ্ঠী ওবিসির (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) অধীনে রাখা হয়েছে। দলিত ও অস্পৃশ্য হিসেবে বিবেচিত আরজালদের রাখা হয়েছে আরও নিচে। আরজালদের মূলত তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতির (এসটি) মতো প্রশাসনিক শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। আজলাফ ও আরজাল একত্রে পসমন্দা বা পিছিয়ে পড়া হিসেবে চিহ্নিত, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করা হয়নি।

রিয়াজ বলছেন, হিন্দু পশ্চাৎপদ জাতি-শ্রেণির পাশাপাশি তুলনামূলক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন পসমন্দাদেরও এখন সচেতন করেছে। তাঁরা মনে করছেন, মুসলমান সমাজে অধিকাংশ সুযোগ–সুবিধা আশরাফই এত দিন ভোগ করেছে। সেই সুবিধায় এখন ভাগ বসাতে চাইছে পসমন্দারা। অন্যদিকে, কংগ্রেসসহ বিভিন্ন ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল মুসলমানদের ভেতরে সংখ্যাগরিষ্ঠ পসমন্দাদের বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। কারণ, ওই দলগুলোতে মুসলমান সমাজের নেতৃত্ব সব সময়ই ছিল ১৫ শতাংশ আশরাফের হাতে।

মুসলমানদের মধ্যে এ আর্থিক-সামাজিক দ্বন্দ্ব সাম্প্রতিক সময়ে নরেন্দ্র মোদিই সবচেয়ে ভালোভাবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক স্তরে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন বলে পসমন্দা–গবেষকদের অভিমত।

অধ্যাপক খালিদ আনিস আনসারি বেঙ্গালুরুর আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক এবং একজন শীর্ষস্থানীয় পসমন্দা বিশেষজ্ঞ। তিনি সম্প্রতি এক প্রবন্ধে লিখেছেন, মোদির পসমন্দা মুসলমানপ্রীতি নতুন নয়। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মোদি ২০১৩ সালে রমজান (জুলাই-আগস্ট) মাসে প্রায় ৪৫ মিনিট উত্তর প্রদেশের পসমন্দা কর্মীদের কথা ধৈর্য ধরে শুনেছিলেন।

অধ্যাপক আনসারি প্রথম আলোকে বলেন, বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার মহানবী (সা.)–কে নিয়ে করা কটূক্তির জেরে কূটনৈতিক স্তরে সমস্যায় পড়ে ভারত। বিজেপি নেত্রীর মন্তব্যের কঠোর বিরোধিতা করে পশ্চিম এশিয়ার ইসলামি দেশগুলো। ভারত মনে করছে, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ থাকার কারণে আশরাফরাই ইসলামি দেশসমূহকে প্রভাবিত করেছে। সেই কারণে, বিজেপি মনে করছে, অভিজাত আশরাফদের নিষ্ক্রিয় করা প্রয়োজন। আর তা করতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ গরিব পসমন্দা মুসলমানকে অভিজাতদের থেকে পৃথক করার চেষ্টা বিজেপি শুরু করেছে নিচ থেকে—দলিত, ওবিসি এবং আদিবাসীদের কাছে টানার মধ্য দিয়ে।

দ্বিতীয়ত, হিন্দুদের একটি শক্তিশালী পুনরুজ্জীবনবাদী ধর্মতত্ত্ব তৈরি হয়েছে অন্যান্য সংগঠিত ধর্মের মতো। এ তত্ত্ব ইতিমধ্যে নির্বাচনে পরীক্ষিতও হয়েছে। আনসারির মতে, আরএসএসের নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাঁরা একটি পুনরুজ্জীবনবাদী হিন্দু লাইনে সব গোষ্ঠীকে একত্র করতে আগ্রহী। এই পুনরুজ্জীবিত হিন্দু ধর্মের আত্মবিশ্বাস অতীতের থেকে বেশি। ফলে পিছিয়ে পড়া মুসলমানকে এর সঙ্গে যুক্ত করতে অসুবিধা হচ্ছে না।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মতো মাঠপর্যায়ে বিস্তৃত সংগঠন, আইনের বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো সশস্ত্র সামাজিক সংগঠন, প্রায় ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার ফলে অর্থের বিরাট জোগান—২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে এই হলো বিজেপির প্রধান শক্তি। এর সঙ্গে মুসলমান সমাজের একটা অংশকেও কাছে টানতে পারলে আগামী কয়েক দশক বিজেপির ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন গবেষকেরা।

এ কাছে টানার চেষ্টায় পসমন্দা মুসলমানকে রাতারাতি উঁচু সরকারি পদে বসাতে শুরু করেছে বিজেপি। পসমন্দাদের বিজেপিপন্থী সংগঠন, রাষ্ট্রবাদী মুসলিম পসমন্দা মাহাজের সভাপতি আতিফ রশিদ একটি তালিকা দিয়ে প্রথম আলোকে বললেন, গত বছরখানেকের মধ্যে কী ধরনের পদ পেয়েছেন পসমন্দারা।

ভারতে সর্বোচ্চ মুসলিম জনসংখ্যার রাজ্য উত্তর প্রদেশে সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রীর মতো ‘হাই-প্রোফাইল’ নিয়োগের পাশাপাশি সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার জন্য কাশ্মীর থেকে পসমন্দা সমাজের সদস্যকে মনোনীত করা হয়েছে। আতিফ রশিদ বলেন, ‘একাধিক সরকারি পদে নিয়োগ করা হয়েছে পসমন্দাদের। আমাকে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন করা হয়েছিল। এর আগে কোনো পসমন্দা এ পদ পাননি।’

আতিফ রশিদ অবশ্য বিজেপির উচ্চতর সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটির ওপরে একটি প্রশ্নের উত্তর ছেড়ে দেন। প্রশ্নটি হলো, কেন জাতীয় বা রাজ্যস্তরের নির্বাচনে সাধারণভাবে আশরাফ বা পসমন্দা কাউকেই মনোনয়ন দেয় না বিজেপি।

‘বিজেপির যুক্তি ভিত্তিহীন’

পসমন্দাদের বৃহত্তম সংগঠনের সভাপতি আলী আনোয়ার বিষয়টিকে বিজেপির ভোটব্যাংকের রাজনীতি বলে ব্যাখ্যা করলেন। তাঁর বক্তব্য, যেহেতু উত্তর প্রদেশ এবং বিহার দুই রাজ্য মিলিয়ে ভারতের লোকসভায় এক-পঞ্চমাংশ আসন রয়েছে এবং যেহেতু এই দুই রাজ্যে পসমন্দাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, তাই মুসলমানদের ভোট ভাঙতে নতুন সংখ্যালঘু রাজনীতি শুরু করেছে বিজেপি।

আলী আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার পরে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সার্বিকভাবে কঠোর বিরোধিতার মুখোমুখি। হিন্দু-মুসলিম মেরুকরণ বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছে। হিন্দুদের একটা বড় অংশ এবার তাদের বিরুদ্ধে ভোট দেবে বুঝতে পেরে তারা এখন মুসলমানদের ভাগ করার চেষ্টা করছে। যাতে বিজেপিবিরোধী মুসলমান ভোট কোনো একটি দল (যেমন কংগ্রেস, অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি, লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী পার্টি ইত্যাদি) না পায়।

বিজেপির এ পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে বলেও মন্তব্য করেন আলী আনোয়ার। তিনি বলেন, পসমন্দাদের বাড়ি, দোকান এবং মাদ্রাসাগুলো নির্মাণের অবৈধতার অভিযোগে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হচ্ছে, নানা কারণে তাদের পেটানো হচ্ছে। পাশাপাশি হিন্দু ধর্মগুরুরা সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, মুসলমানদের চিরাচরিত ব্যবসা চামড়া প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, আসামে মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিজেপি পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের জন্য সাংঘাতিক চিন্তিত। এটা যদি পসমন্দারা বিশ্বাস করেন, তবে তাঁদের বিপদে পড়াই উচিত।

তবে আলী আনোয়ার এখনো ‘দুটি বিষয়ে’ বিজেপির কথা শুনতে আগ্রহী।

 প্রথমত, পসমন্দাদের রাজনৈতিক বা আইনি স্তরে বা সামাজিকভাবে হয়রানি করা যাবে না এবং অন্যটি হলো দলিত মুসলমানদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং চাকরিতে ‘পৃথক সংরক্ষণ’।

বিজেপির পসমন্দা পরিকল্পনা

বিজেপির ওবিসি সেলের সভাপতি কে লক্ষ্মণ প্রথম আলোকে বলেন, পসমন্দাদের জন্য সংরক্ষিত বা কোটার ব্যবস্থা করা ‘তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য’।

ভারতীয় রাজনীতির একটি মূল উপাদান হলো, দারিদ্র্য দূর করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি এবং কোনো সংস্থায় চাকরি নিশ্চিত করা। এর জন্য পিছিয়ে পড়া নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মানুষের কোটা রাখা হয়। কে লক্ষ্মণ—যিনি আংশিকভাবে বিজেপির পসমন্দা নীতি বাস্তবায়িত করছেন—তিনি বলেন, তাঁদের লক্ষ্য পসমন্দাদের জন্য কোটা সুনিশ্চিত করা।

লক্ষ্মণ বলেন, ‘অনেক রাজ্যে পসমন্দাদের ওবিসি সংরক্ষণের অধীনে আনা হয়েছে। তবু “এলিটরা” (আশরাফ) এর সুবিধা পায়। আমরা প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত সব ক্ষেত্রে (ওবিসি, এসসি, এসটি) দরিদ্র মুসলমানের জন্য সংরক্ষণের পক্ষে।’

ভারতের পাঁচ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘুর জন্য ৫০ শতাংশ কোটা রয়েছে। বিজেপি উত্তর প্রদেশের আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং জামিয়া হামদর্দের মতো শীর্ষ সংখ্যালঘু বিশ্ববিদ্যালয়ে পসমন্দাদের জন্য কোটা চায়।

এ পরিকল্পনা ২০২৪ সালের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে কি না, এ প্রশ্নের উত্তরে লক্ষ্মণ বলেন, ‘যদি পসমন্দারা ৭৫ বছর ধরে অন্য দল (অ-বিজেপি দল) দ্বারা শোষিত হয়, তারপর তাদের উদ্বেগের কথা আমাদের জানায় এবং আমরা তাদের কথা শুনি, তবে তা কীভাবে ভোটের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত?

আসল কথা হলো অন্য দল দরিদ্র মুসলমানের কথা শোনেনি। নরেন্দ্র মোদি শুনেছেন, আর তাতেই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দল বুঝেছে মুসলমান ভোট অনেকাংশে বিজেপির দিকে চলে যাবে। সম্প্রতি উত্তর প্রদেশে লোকসভা উপনির্বাচনে তেমনটাই হয়েছে।’ 

তবে বিজেপির একটা বড় সমস্যা আছে। হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শীদের মধ্যে যাকে আরএসএস এবং বিজেপি সম্ভবত সবচেয়ে শ্রদ্ধা করে, সেই এমএস গোলওয়ালকর, তাঁর বই বাঞ্চ অব থটস (১৯৬৬)–এ লিখেছেন, ‘মুসলিমরা একটি বিপজ্জনক ষড়যন্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত, তারা অস্ত্র জমা করে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘাতের জন্য নিজেদের সংগঠিত করছে।’

অর্ধশতাব্দী পরে, ইতিহাসগত কারণে মুসলমানবিরোধী এ দর্শন থেকে হিন্দুত্ববাদী নেতা, কর্মী বা সংগঠন সরে এসেছে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। নেতা–কর্মীদের ওপরেই যেহেতু নির্বাচনে জেতা-হারা নির্ভর করে, তাই এদের একেবারে অসন্তুষ্ট করে পসমন্দাদের কাছে টানতে পারবে না বিজেপি।

অধ্যাপক খালিদ আনসারি মনে করেন, মুসলমানবিরোধিতা এবং পসমন্দাদের কাছে টানার কাজ একই সঙ্গে চলতে পারে। তিনি বলেন, এক স্তরে, হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠকে সংহত করার জন্য হিন্দু-মুসলিম ‘বাইনারির’ প্রয়োজন এবং তাই মুসলমানদের ওপরে আক্রমণ অব্যাহত থাকবে। অন্য স্তরে, দীর্ঘ মেয়াদে হিন্দু জাতীয়তাবাদের ধারণার সঙ্গে মুসলমান সমাজের বড় কিন্তু দরিদ্র অংশকে সাংস্কৃতিক-সামাজিকভাবে জোড়ার কাজও চলতে থাকবে।

নরেন্দ্র মোদি তথা বিজেপির ডাকে শেষ পর্যন্ত ভারতের পিছিয়ে পড়া মুসলমান কীভাবে সাড়া দেবে, তা বলবে ২০২৪-এর নির্বাচন।