ইরানে মার্কিন আগ্রাসনে ব্যবহৃত বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, তারা একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এই বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপের একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা।

খবরে বলা হয়, এক ঘণ্টা আগে সিরিক দ্বীপের একটি যোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন সেনাবাহিনীর আগ্রাসনের পর আইআরজিসির মহাকাশবাহিনীর যোদ্ধারা এই আগ্রাসনের উৎসস্থল বিমানঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালান। এই হামলার মাধ্যমে নির্ধারিত লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করা হয়।

তবে বিমানঘাঁটিটির অবস্থান কোথায়, তা উল্লেখ করেনি আইআরজিসি।

ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সে প্রকাশিত আইআরজিসির বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবার আগ্রাসন চালায়, তাহলে ইরানি সামরিক বাহিনীর প্রতিক্রিয়া হবে ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন’।

এর আগে আল–জাজিরার খবরে কুয়েতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করার কথা জানানো হয়। কুয়েতজুড়ে সতর্কতামূলক ‘সাইরেন’ বাজার শব্দ শোনা যায়।

কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘শত্রুতাপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ মোকাবিলা করছে।

কুয়েতি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দেশটির কোথাও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে তা আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার ফল।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা গত সপ্তাহান্তে ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে দেশটির রাডারসহ ড্রোন–সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে।

আরও পড়ুন

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম এ তথ্য জানায়। সেন্টকম বলেছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ–১ ড্রোনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়াসহ ইরানের ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাবে গত শনি ও রোববার এই হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

সেন্টকম দাবি করে, মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি স্থলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও একমুখী হামলার জন্য ব্যবহৃত দুটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এগুলো আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য ‘স্পষ্ট হুমকি’ ছিল।