উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সামরিক ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া সামরিক ও অর্থনীতি-সংক্রান্ত সহযোগিতার স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়।

গ্রিস সফর শেষে মোহাম্মদ বিন সালমানের ফ্রান্সে যাওয়ার কথা। সৌদি যুবরাজের ফ্রান্স সফরে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক উন্নত করার উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে সৌদি আরব যান। তেলসমৃদ্ধ দেশটিতে গিয়ে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মুষ্টিবদ্ধ হাত মেলান (ফিস্ট বাম্প) তিনি। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন বাইডেন। কারণ, মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ আছে।

সৌদির যুবরাজের কট্টর সমালোচক ছিলেন খাসোগি। তাঁকে ২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

গোপন মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, খাসোগিকে হত্যার অভিযানে অনুমোদন দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ। এই হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভূতপূর্ব চাপের মধ্যে পড়েন সৌদি যুবরাজ।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন