ইসরায়েলে হামলার পর ইরানকে ‘আলোচনার টেবিলে ফেরার’ আহ্বান ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পরয়টার্স ফাইল ছবি

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘তোমরা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছ, এবার তা বন্ধ করো। আলোচনার টেবিলে ফিরে আসো এবং একটি চুক্তি করো।’

ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে হবে এবং একটি চুক্তি করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এটি (ক্ষেপণাস্ত্র হামলা) নিশ্চিতভাবেই আলোচনা প্রক্রিয়ায় কোনো সাহায্য করবে না।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমরা (চুক্তির) খুব কাছাকাছি ছিলাম। আমি বলব, চলতি সপ্তাহের সোম, মঙ্গল বা বুধবারের মধ্যেই একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতো। আর এর মধ্যেই এই ঘটনাটি ঘটল।’

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বারাক রাভিদকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করবেন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইরানকে আক্রমণ না করার জন্য বলবেন।

এ ছাড়া বৈরুতে ইসরায়েলের চালানো হামলার বিষয়েও ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, তিনি এই ঘটনায় ‘খুশি নন’।

আরও পড়ুন

এর আগে রোববার রাতে ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ‘এখন পর্যন্ত’ ইরানের সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। সূত্রের একজন জানিয়েছেন, অন্তত ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

আইআরজিসির অভিযোগ, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।

চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে লেবাননের রাজধানীতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন