ইমরান খান লাহোরের শওকত খানম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা ‘স্থিতিশীল এবং তিনি ভালো আছেন’ বলে দল এবং পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার জানানো হয়েছে।

হামলার পর ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ইবতিসাম নামের ওই তরুণ পিস্তলধারী হামলাকারীকে বাধা দিচ্ছেন। হামলাকারীর সঙ্গে তাঁকে রীতিমতো ধস্তাধস্তি করতে দেখা যায়।

ধস্তাধস্তির মুহূর্তের একটি ছবির সঙ্গে ইবতিসামের ছবিও টুইট করেন জেমিমা। তিনি লিখেন, ‘এই খবরে আমরা শিউরে উঠি... ঈশ্বরকে ধন্যবাদ সে (ইমরান খান) ভালো আছে।’

জেমিমা যুক্তরাজ্যে থাকেন। ইমরান খানের সঙ্গে ২০০৪ সালে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সাবেক এই দম্পতির দুই ছেলে আছে। ঘটনার পর ইবতিসাম সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারীর হাতে পিস্তলটি ছিল স্বয়ংক্রিয়।

তাঁর হাত থেকে পিস্তল নিয়ে ফেলার পরও গুলি বের হচ্ছিল। শুরুতেই হামলাকারী আটকাতে না পারার জন্য এবং প্রথম গুলি ঠেকাতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

পিটিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, যদি অস্ত্রধারীকে লোকজন না আটকাত, তাহলে পিটিআইয়ে গোটা নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।