পিটিআই মহাসচিব আসাদ উমর শুক্রবার এক টুইটে এই বিক্ষোভের ঘোষণা দেন। তিনি লিখেন, ‘ইমরান খানের দাবি না মানা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে।’

আগের দিন এক ভিডিও বক্তব্যে আসাদ উমর বলেছিলেন, হত্যাচেষ্টার নেপথ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ ও একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা রয়েছেন বলে সন্দেহ করছেন ইমরান খান।

দলের নেতা মিয়া আসলাম ইকবালকে পাশে নিয়ে পিটিআই মহাসচিব আরও বলেন, ‘ইমরান খান বলেছেন, তাঁর কাছে আগে থেকেই তথ্য ছিল, এই লোকগুলো তাঁকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।’

পিটিআই চেয়ারম্যানকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ ওই সামরিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণেরও দাবি জানান আসাদ উমর। অন্যথায় দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার লংমার্চ কর্মসূচি চলাকালে ইমরান খানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন এক ব্যক্তি। তাঁর ডান পায়ে গুলি লেগেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। ওই হামলার ঘটনায় পিটিআইয়ের আরও কয়েকজন নেতা আহত হন।

ইমরান খান লাহোরের শওকত খানম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তাঁর স্বাস্থ্যবিষয়ক সহকারীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন চিকিৎসক ফয়সাল সুলতান। আজ বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেছেন, ইমরান খানের অবস্থা ‘স্থিতিশীল এবং তিনি ভালো আছেন’।

আগাম জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর পাকিস্তানের লাহোর থেকে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশে দ্বিতীয় দফা লংমার্চ শুরু করেন ইমরান। এর আগে গত ২৫ মে তাঁর দল পিটিআই প্রথমবার লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করে। কিন্তু ক্ষমতাসীন জোট ও পুলিশের বাধায় কর্মসূচি সহিংস হয়ে উঠলে তা স্থগিত করেন তিনি।