এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘আমি এ ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। আমি পিটিআইয়ের চেয়ারম্যানসহ (ইমরান খান) অন্যান্য আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করি।’

গত ২৯ অক্টোবর থেকে লংমার্চ শুরু করেছেন পাকিস্তানের বিরোধী দল পিটিআইয়ের নেতা ইমরান খান। এরপর আজ এ হামলার ঘটনা ঘটল। হামলার সময় ইমরান খানের পাশে ছিলেন তাঁর দলের নেতা ইমরান ইসমাইল। তিনি বলেন, একে-৪৭ রাইফেল নিয়ে এ হামলা চালানো হয়েছে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে বন্দুক হাতে এক যুবককে দেখা গেছে।

ইমরানের ওপর হামলার পর শাহবাজ শরিফ বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার পাঞ্জাবের প্রাদেশিক সরকারকে নিরাপত্তা ও তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। শাহবাজ বলেন, ‘আমাদের দেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই।’