গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, লুলা পেয়েছেন ৫০ দশমিক ১ শতাংশ ভোট। আর ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলসোনারো।

২ অক্টোবর ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ভোটে লুলা পান ৪৮ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। বলসোনারো পান ৪৩ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়ায়।

দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণের আগে ডেটাফোলহা ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ জরিপে লুলা এগিয়ে ছিলেন। তবে ব্যবধান অনেক কম ছিল। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫২ শতাংশ লুলাকে ও ৪৮ শতাংশ বলসোনারোকে সমর্থন দিয়েছিলেন। জরিপের চেয়েও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেছে ভোটের মাঠে।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ইতিমধ্যে লুলার সমর্থকেরা আনন্দ মিছিল করছেন। এর আগে ৬৫ শতাংশ ভোট গণণা পর্যন্ত দুজন সমান সমান ছিলেন। ৭০ শতাংশ ভোট গণণা পর্যন্ত লুলা এগিয়ে যান। এরপর গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, লুলা শেষ রাউন্ডে বলসোনারোকে ছাপিয়ে যান। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট গণণা পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখেছেন লুলা। ইতিমধ্যে বলসোনারোর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা কমে আসতে দেখা গেছে।

ব্লুমবার্গের লাইভ রেজাল্ট গণনাতেও লুলাকে এগিয়ে থাকতে দেখা যায়।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী জানুয়ারিতে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ব্রাজিলের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নেবেন লুলা। তবে তাঁকে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। নতুন প্রেসিডেন্টের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ করোনা-পরবর্তী সময়ে বিপর্যস্ত অর্থনীতির গতি ফেরানো, নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘব করা।